• শিরোনাম

    ২০ বস্তা চাল মজুদেই লাইসেন্স নিতে হবে

    | ১৩ অক্টোবর ২০১৭ | ১:৩৪ অপরাহ্ণ

    ২০ বস্তা চাল মজুদেই লাইসেন্স নিতে হবে

    ২০ বস্তা চাল মজুদেই লাইসেন্স নিতে হবে

    ১৩ অক্টোবর, ২০১৭

    ২০ বস্তা (১ টন) চাল মজুদ থাকলেই ব্যবসায়ীদের লাইসেন্স নিতে হবে। এমন নিয়ম থাকলেও মুন্সীগঞ্জের অধিকাংশ চাল ব্যবসায়ীদের লাইসেন্স করা নেই। অনেক ব্যবসায়ী জানেন না যে চাল ব্যবসার জন্য তাদের লাইসেন্স করতে হবে যদিও জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিসের দাবি লাইসেন্স গ্রহণের জন্য ব্যবসায়ীদের এরই মধ্যে নোটিশ প্রদান করা হয়েছে।

    শুক্রবার (১৩ অক্টোবর) সরেজমিনে মুন্সীগঞ্জের কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে ব্যবসায়ীদের ‘ফুড লাইসেন্স’ ও ‘ট্রেড লাইসেন্স থাকলেও চাল ব্যবসার জন্য আলাদা কোনো লাইসেন্স নেই। অনেক ব্যবসায়ীর ধারণা যারা চাল কলের মালিক শুধু তাদের লাইসেন্স নিতে হবে। এদিকে, আগামী ৩০ অক্টোবরের মধ্যে চাল ব্যবসায়ীদের লাইসেন্স নিতে বলেছে খাদ্য মন্ত্রণালয় এবং লাইসেন্সের জন্য সকল ব্যবসায়ীদের ১০ অক্টোবরের মধ্যে খাদ্য অফিস থেকে নোটিশ দেবার কথা। কিন্তু, ব্যবসায়ীরা জানান তাদের কোনো প্রকার নোটিশ প্রদান করা হয়নি।

    মুন্সীরহাটের ব্যবসায়ী শুভ সাহা জানান, চালের ব্যবসার জন্য লাইসেন্স নিতে হবে-এমন কোনো নোটিশ পাইনি। জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মোঃ আবু বকর জানান, ব্যবসার জন্য যার কাছে কমপক্ষে ২০ বস্তা অর্থাৎ ১ টন চাল মজুদ আছে তারই লাইসেন্স লাগবে। তিন ধরনের লাইসেন্স দেওয়া হয়। খুচরা ব্যবসায়ী, পাইকারী ব্যবসায়ী ও চাল কলের মালিকদের লাইসেন্স। তবে, কোন লাইসেন্স নিতে একজন ব্যবসায়ীর কত খরচ হবে তা বলতে পারেননি জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মোঃ আবু বকর।

    webnewsdesign.com

    ব্যবসায়ীরা কোনো নোটিশ পাননি বললেও নোটিশ প্রদান করা হয়েছে বলে দাবি করেন জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা। তিনি বলেন, নোটিশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিদিন দুই একটি লাইসেন্স প্রদান করা হচ্ছে। যারা ৩০ অক্টোবরের মধ্যে লাইসেন্স নেবে না তাদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করা হবে।

    অবশ্য জেলায় মোট কতজন ব্যবসায়ী চালের লাইসেন্স গ্রহণের আওতায় পড়ে তা বলতে পারেননি জেলা খাদ্য অফিসার। তবে, স্থানীয় ব্যবসায়ীদের ধারনা, যদি ২০ বস্তা চালের জন্য লাইসেন্স নিতে হয় তাহলে কমপক্ষে ৫০০ খুচরা ও পাইকারী ব্যবসার প্রতিষ্ঠান লাইসেন্স গ্রহণের আওতায় পড়বে।

    এদিকে, যে হারে চালের দাম বেড়েছে সে হারে দাম কমার নাম নেই। বস্তা প্রতি ৬/৭ শ টাকা বৃদ্ধি পেলেও চালের দাম কমেছে প্রতি বস্তা মাত্র এক দেড়’শ টাকা। মুন্সীগঞ্জের বড় বাজারের খুচরা ব্যবসায়ী মোঃ নিজামউদ্দিন জানান, এখন প্রতি বস্তা মিনিকেট ৩২০০ টাকা থেকে ৩৩০০ টাকা, নাজিরশাইল ৩৩০০ টাকা থেকে ৩৪০০ টাকা, আঠাশ ২৪০০ টাকা এবং বাসমতি চাল ২৫ কেজির বস্তা ১৬০০ টাকা থেকে ১৮০০ টাকা। আসলে যে পরিমাণে দাম কমার কথা ছিল সে হারে দাম কমেনি। বেড়েছিল ৫/৬ ‘শ টাকা আর কমেছে মাত্র এক/ দেড়শ টাকা। তবে, বাজার দেখে মনে হয়, দাম আর বাড়বে না।

    এদিকে, ধানের দাম বেশি থাকায় চাল কলে চাল উৎপাদন হচ্ছে না বলে জানান রাইস মিলের মালিকরা। আলাউদ্দিন অটো রাইস মিল মালিক কবির হোসেন জানান, মুন্সীগঞ্জে অটো রাইস মিল আছে ৬ টি। কিন্তু, ধানের দাম বেশি তাই চাল উতপাদন বন্ধ আছে। এই দামে ধান কিনে চাল বেচে পোশায় না। তবে, খুচরা ব্যবসায়ী ও পাইকার ব্যবসায়ী সকলের ধারণা চালের দাম আর বাড়বে না।

    Leave a comment

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০
    ১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
    ১৮১৯২০২১২২২৩২৪
    ২৫২৬২৭২৮২৯৩০  
    দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও যাচ্ছে মতলবের ক্ষীর
    দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও যাচ্ছে মতলবের ক্ষীর