• শিরোনাম

    হাজীগঞ্জ সোনালী ব্যাংক শাখা ব্যবস্থা মো. জাফর আহমেদ গ্রাহকদের সাথে অশোভনীয় আচরন!

    | ২৭ নভেম্বর ২০১৭ | ১০:৩১ পূর্বাহ্ণ

    হাজীগঞ্জ সোনালী ব্যাংক শাখা ব্যবস্থা মো. জাফর আহমেদ গ্রাহকদের সাথে অশোভনীয় আচরন!

    হাজীগঞ্জ সোনালী ব্যাংক শাখা ব্যবস্থা মো. জাফর আহমেদ গ্রাহকদের সাথে অশোভনীয় আচরন!
    নিজস্ব প্রতিবেদক॥


    গ্রাহক সেবায় এগিয়ে প্রাইভেট ব্যাংকগুলো। আর প্রাইভেট ব্যাংক গুলোর সাথে পাল্লা দিয়ে বর্তমান সরকার গ্রাহরেক দ্বারপ্রান্তে সেবা পৌছে দিতে সরকারী ব্যাংক গুলোকে এগিযে নিতে কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু সরকার বহু প্রচেষ্টা দিয়েও তা এখন ফিরে আনতে পারেনি। কারন ব্যাংকের কিছু কিছু কর্মকর্তাদের অশোভনীয় আচরনের কারনে সরকারী ব্যাংকগুলো গ্রাহকের দ্বারপ্রান্তে পৌছাতে পারছেনা।

    এ জন্য বাংলাদেশ সরকার চিন্তা ভাবনা করছে সরকারী ব্যাংকগুলোকে প্রাইভেট ব্যাংকের আওতায় আনা। খোজ নিয়ে জানাযায়, হাজীগঞ্জ বাজারে ব্যাংকিং খাতে সেবা দানে এগিয়ে রয়েছে প্রাইভেট ব্যাংকগুলো। এর একমাত্র কারন হলো সরকারী ব্যাংকগুলো গ্রহকদেরকে প্রকৃতসেবা থেকে বঞ্চিত করছে। গত কিছুদিন পূর্বে হাজীগঞ্জ বাজার সোনালী ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক মো. জাফর আহমেদ যোগদান করেন।

    webnewsdesign.com

    তিনি যোগদানের কিছু দিনের মধ্যেই গ্রাহকদের সাথে খারাপ আচরন ও নিজ চেম্বারে বসে সিগারেট খাওয়াসহ বিভিন্ন কাজে সমালোচনার স্বীকার হয়েছেন। গতকাল রবিবার দুপুরে হাজীগঞ্জ পৌরসভার সচিব ব্যাংকিং কাজে ব্যাংকে আসেন। কিন্তু ব্যাংক কর্মকর্তা মো. জাফর আহমেদসহ অন্যান্য কর্মকর্তাগন তিনার কাজ সহযোগীতা না করায় তিনি পূনরায় পৌরসভায় গিয়ে হাজীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আ.স.ম মাহবুব উল আলমকে বিষয়টি জানান।

    পরে মেয়র তিনার নিজ মোবাইল থেকে ব্যাংকের ব্যবস্থাপককে বার বার ফোন করার পরও তা রিসিভ করেননি। এক পর্যায় তা রিসিভ করে কথা না বলে টেবিলে রেখে দেন।
    হাজীগঞ্জ পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর লিটন চন্দ্র সাহা জানান, গত ৪ দিন আগে আমি ব্যাংকে একটি কাজ নিয়ে ব্যবস্থাপকের টেবিলে বসি।

    তখন তিনাকে আমি কাউন্সিলর পরিচয় দেওয়ার পরও তিনি আমার কাজ করে দেননি। একপর্যায় তার নিকটতম আত্মীয় আসার পর আমাকে ও স্থানীয় সাংবাদিক মিরাজ মুন্সীকে রোম থেকে বের করে দিয়ে চা-সিগারেটের আড্ডা জমায়।

    ব্যাংকের সেবা নিতে আসা কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, আমরা ব্যাংকে টাকা তুলতে বা টাকা জমা দিতে এসেও প্রচন্ড হয়রানী হতে হয়। কোনো সমস্যা নিয়ে ব্যবস্থাপকের কাছে গেলে তার কোনো সমাধান পাই না। ব্যবস্থাপক ছাড়াও ক্যাশ কাউন্টারে থাকা কর্মকর্তারা গ্রাহকদেরকে বিভিন্ন ভাবে হয়রানী করে থাকে।

    ব্যাংকে সেবা নিতে আসা গ্রাহকরা আরো জানান, দীর্ঘদিন ব্যাংকের কর্মকর্তার একস্থানে সরকারী চাকুরী করার কারনে তারা গ্রাহকদের সাথে এমন আচরন করে থাকে। এ সমস্ত কর্মকর্তাদের কারনে সরকারী ব্যাংকগুলোর সেবার মান নিয়ে প্রশ্ন উঠে।

    সরকারী ব্যাংকের সেবার মান ফিরিয়ে আনতে হলে বর্তমান কর্মকর্তাদের বদলী পূর্বক নতুন কর্মকর্তা নিয়োগ দিতে হবে। অন্যথায় সরকারী এ ব্যাংকে কোনো গ্রাহক লেনদেন করতে আসবে না। এতে করে সরকারের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন হবে। সে জন্য ব্যাংকের উর্ধতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

     

    Leave a comment

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০
    ১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
    ১৮১৯২০২১২২২৩২৪
    ২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
    দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও যাচ্ছে মতলবের ক্ষীর
    দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও যাচ্ছে মতলবের ক্ষীর