• শিরোনাম

    হাজীগঞ্জে চার পরিবার পেলেন প্রধানমন্ত্রীর ঘর

    এনায়েত মজুমদার | ২০ জুন ২০২১ | ৯:০৬ অপরাহ্ণ

    হাজীগঞ্জে চার পরিবার পেলেন প্রধানমন্ত্রীর ঘর

    ছবি সংগৃহীত

    প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের জমিসহ সেমিপাকা ঘর পেয়ে জীবন পাল্টে গেছে অনেকের। যাপিত জীবনে এসেছে স্বস্তি, শান্তি ও নিরাপত্তা। অচ্ছুত জীবনে আলো হয়ে সমৃদ্ধ জীবনের পথপ্রদর্শন করছে আশ্রয়ণ প্রকল্প। হাজীগঞ্জ উপজেলার মোহাম্মদপুর গ্রামে আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় আসা পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

    এ বছরের জানুয়ারিতে হাজীগঞ্জ উপজেলায় ৫টি ছিন্নমূল মানুষের হাতে সেমিপাকা ঘরের চাবি তুলে দেওয়া হয়।

    গতকাল রবিবার (২০ জুন) সকালে ২০২০-২০২১ ইং অর্থবছরে মুজিব শতবর্ষ উপলে ভূমিহীন ও গৃহহীন ‘ক’শ্রেণির পরিবার, ২য় পর্যায়ের মত পুনর্বাসন ও গৃহ নির্মাণ প্রকল্পের গৃহহীন পরিবারকে, উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মধ্য দিয়ে মোহাম্মদপুর গ্রামের চারটি পরিবারের মাঝে ঘরের চাবি প্রদান করা হয়।
    সরেজমিনে তথ্য নিয়ে জানা যায়, হাজীগঞ্জ উপজেলার মোহাম্মদপুর গ্রামে এ প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ে ৪ ছিন্নমূল পরিবারকে জমিসহ সেমিপাকা ঘর বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।

    webnewsdesign.com

    ভ্যান চালিয়ে, মাটি কেটে বা অন্যের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন এরা। তাদের জীবনে বাড়ি-ঘরের স্বপ্ন তো দূরের কথা, বেঁচে থাকা বা টিকে থাকাই ছিল বড় বিষয়। এদের জীবনে যেন ঐশ্বরিক আশীর্বাদ হয়ে এসেছে শেখ হাসিনার আশ্রয়ণ প্রকল্প। জমির মালিকানাসহ সেমিপাকা ঘর দিয়ে তাদের জীবনচিত্রই পাল্টে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এতে মানুষের জীবনে জেগেছে আশা, বেড়েছে আত্মবিশ্বাস।

    প্রধানমন্ত্রীর ঘর পাওয়া মো. ফারুক হোসেন বলেন, আমার কোন কিছুই ছিলোনা, ঘরের দরখাস্ত দিলাম। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এখানে (আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরে) এনে দিয়েছেন। এখন ভালো আছি। মাথা গোঁজার ঠাঁই হয়েছে।

    মো. সোহেল জানান, আমার কোনো জায়গা ছিল না। সরকারের কাছে আবেদন করে জায়গা ও সেমিপাকা ঘর পেয়েছেন। তাতে তিনি সন্তানদের নিয়ে শান্তিতে থাকতে পারবো। মো. ইমাম হোসেন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘর দিয়েছেন। তার নামে দোয়া করি, আল্লাহ তাকে বাঁচায়ে রাখুক, শান্তিতে থাকুক। তার উছিলায় আমরাও ছেলে-মেয়ে নিয়ে শান্তি থাকতে পারবো।

    তথ্য সুত্রে জানাযায়, ক”শ্রেণির পরিবার সংখ্যা ১০৫ টি, এই পর্যন্ত পুনর্বাসন করা হয়েছে ৯ টি পরিবারকে, তার মধ্যে বাকি আছে ৯৬ টি পরিবার। অবশিষ্ট দের পুনর্বাসন করার জন্য উদ্যোগসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করবেন এবং ৩০ অক্টোবরের মধ্যে ১৪ টি ঘরের মধ্যে ৬ টি ঘর দ্বিতীয় পর্যায়ে বরাদ্দ হয়। তারমধ্যে ৩০ ডিসেম্বর মধ্যে ৮২টি ঘর পাবে। ২য় পর্যায়ে ৬ টি পরিবারের কোন ভার্সনের জন্য সুহিলপুর মৌজা বিএস ১৩৭৯ দাগে ০.১০ একর জমিতে এবং কীর্তনখোলা মৌজার বিএস ১০৫ দাগে ০.০২ একর জমিতে মাটি ভরাটের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

    মৈশাইদ মৌজায় বিএস ৩৭০৫ দাগে ০.৬১ একর কৃষি খাস জমি ৭/৮ ফুড এখনই ভরাট করা হলে ডিসেম্বর নাগাদ ৩০টি পরিবারকে পুনর্বাসন করা যাবে। ভাওরপাড় মৌজার বিএস ২৬২ দাগে ০.৫৬ একর কৃষি খাস জমি ৭/৮ ফুল এখনই ভরাট করা হলে ডিসেম্বরের মধ্যে ২৮ টি পরিবারকে পুনর্বাসন করা হবে। র্কীতনখোলা মৌজার বিএস ১০৫ দাগে ০.০৪ একর কৃষি খাস জমি অক্টোবর নাগাদ দুইটি পরিবারকে পুনর্বাসন করা যাবে। সোনাইমুড়ী মৌজার বিএস ৩৯৩ দাগে ০.১২ একর অকৃষি খাসজমিতে অক্টোবর নাগাদ ছটি পরিবারকে পুনর্বাসন করা যাবে। বাকি ২৪ টি পরিবারকে সরকারিভাবে জায়গা ক্রয় করা গেলে ডিসেম্বর নাগাদ পুনর্বাসন করা যেতে পারে।

    জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় ১৯৯৭ সাল থেকে ২০২১ সালের মে পর্যন্ত তিন লাখ ৭৩ হাজার ৫৬২ ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার পুনবার্সিত হয়েছে। ২০ জুন আরও ৫৩ হাজার ৩৪০টি পরিবারকে জমির মালিকানাসহ সেমিপাকা ঘর দেয়া হচ্ছে। এ বছর আরও এক লাখ পরিবারকে জমির মালিকানাসহ সেমিপাকা ঘর দেয়া হবে। পর্যায়ক্রমে মোট প্রায় ১০ লাখ পরিবার আসবে আশ্রয়ণের আওতায়।

    Leave a comment

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫১৬
    ১৭১৮১৯২০২১২২২৩
    ২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
    ৩১  
    দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও যাচ্ছে মতলবের ক্ষীর
    দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও যাচ্ছে মতলবের ক্ষীর