• শিরোনাম

    সারা দুনিয়াকে — মোঃ আলী আক্কাস তালুকদার

    | ১৩ মার্চ ২০১৮ | ৮:২৩ পূর্বাহ্ণ

    সারা দুনিয়াকে — মোঃ আলী আক্কাস তালুকদার

    সারা দুনিয়াকে

    মোঃ আলী আক্কাস তালুকদার (অবঃ)সেনাকর্মকর্তা

    মোঃ আলী আক্কাস তালুকদার (অবঃ)সেনাকর্মকর্তা

    শুধুই ভাবছি কি-ই-বা করবো, কাকেই বা মনের কথা বলবো। যখনি ফেইসবুক, কিংবা বিভিন্ন টিভি চ্যানেল চালু করলে দেখা যায় হতাশায়, নৈরাশায় হৃদয় ক্ষত-বিক্ষত হয়ে যায়। যে যেই ধর্মেরই হইনা কেন, আমরাতো মানব জাতি। জীব জানোয়ার তো নই! তবে আমাদের মধ্যে এতো নিষ্টাচারতা কেমন করে সই!

    বিগতদিনে রোহিঙ্গা মুসলমানদের কে নিয়ে পাতানো ধ্বংস যজ্ঞের অবসান ঘটেনি। কেবল মাত্র ভিটা বাড়ী পর্যন্ত নিঃচিহ্নন্ন করেছে, একনো অবশিষ্টদের হত্যা করার নেশায় জল্লাদ বৌব্ধা গোষ্টি-জাতিরা পাখি শিকারীর মতন বনে জঙ্গলে রোহিঙ্গা মুসলমানদেরকে খুঁজে বেড়াচ্ছে।

    অসহায় রোহিঙ্গা মুসলিমগন প্রিয়, বাবা, মা, ভাই- বোন, স্ত্রী,পুত্র, আদরের সন্তান ও আত্বীয়- স্বজন, বন্ধু- বান্ধব সবস্হ হারিয়ে উন্মাদ বেশে সুদুর বাংলাদেশে এসে অাশ্রয় নিয়েছেন, শুধুই প্রানে বাঁচবার তাগিদে। এরই মাঝে কেহ কেহ জীব- জানোয়ার, পোকা- মাকড় কিংবা সমুদ্রের জন্তুজাতের আহার হয়েছেন।

    মূলতঃ তারাঁও বেচে গেছেন। এতো যন্ত্রনা বুকে লয়ে মানুষ বাচবে-ই-বা কেমন করে!! রোহিঙ্গা মুসলমানের প্রতি নির্যাতন দেখে বাংলার “রত্ন” শেখ হাসিনার অন্তর কেঁপে উঠে। সকল বাধা এড়িয়ে অসহায় রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দান করেন শুধু মাত্র তাঁর সু- মহানুব্বতার কারনে।

    এইরুপ পেক্ষাপটে অন্য জাতি হলেও তিনি তাই করতেন এটা আমার দৃঢ় বিস্বাস। কারন বাংলাদেশ মানেই “মায়ার ভূমি” আমাদের সম্পদের কিছুটা কমতি থাকতে পারে, তবে মানবতার কমতি নেই কিছুতেই। তার প্রমান বাংলার প্রধান মন্ত্রী কর্তৃক সমগ্রবিশ্বে দেখেছেন, বুঝেছেন। শেখ হাসিনার মানবতার দৃষ্টান্ত দেখে বিশ্বের নামি দামি অনেক রাষ্ট্র প্রধানের মানবতার জানালা খুলতে শিখেছেন।

    আশাকরি এব্যাপার সবাই একমত পোষন করবেন। রোহিঙ্গা মুসলমানগনের উপর নির্যাতন দেখে/ শুনে সকল ইসলামী দেশ গুলি শুরুতেই বাংলাদেশের সাথে একমত পোষন করেন এবং প্রতিবাদ মুখি হয়ে উঠেন। শুধু মাত্র ইসলাম ধর্মের প্রান কেন্দ্র সৌদিআরব নিরব ভুমিকা পালন করেছেন। বাংলাদেশের প্রধান মন্ত্রির জোড়ালো প্রতিবাদ সমগ্র বিশ্বের মানবতাকে নাড়া দিয়েছে। নিজের মুখের খাবার অসহায় আগত রোহিঙ্গাদের মুখে তুলে দিয়েছেন। বাংলাদেশের জনগন তথা প্রধান মন্ত্রির। মানবতার ডাকে অনেক দেশের বিবেক জাগ্রত হয়েছে। তাদের মধ্যে সর্ব প্রথম সহযোগীতার হাত বাড়ান ধর্মপ্রান মুসলমান তুর্কির সরকার।

    তুর্কির সাথে তাল মিলিয়ে পরে অনেক দেশই বাংলাদেশের প্রধান মন্ত্রির ডাকে সারা দিয়ে এক সাথে মায়ানমার সরকারকে ঘৃনা ধিক্কার জানিয়েছেন। দুঃখ জনক হলেও সত্য, তখনো সৌদিআরব কর্তৃক কোনো প্রতিবাদ/ জোড়ালো ভূমিকা গ্রহন করতে দেখিনি। বাংলার প্রধান মন্ত্রির আকর্ষিক প্রতিবাদের ঝড় সারা দুনিয়াকে জাগ্রত করেছেন। অবশেষে সৌদিআরবের “বাদশা” লাম-সাম সাহায্য দিয়যেছেন, অথচ রোহিঙ্গা মুসলিমদের প্রতি নিপীড়ন বন্ধ করার মত জোড়ালো ভূমিকায় নীরব ছিলেন সৌদি বাদশা। রোহিঙ্গা মুসলিম দেরকে ধ্বংস করতে না করতেই শক্তিশালী সিরিয়ার মুসলিমগনের উপর কিযে নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে! তা না দেখার বাকী নেই কেহ।

    সিরিয়ার পক্ষে প্রথমেই তুর্কির জনগন তথা সরকার কঠিন ভাবে প্রতিবাদ করেছেনে, সাদ্যানুসারে সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। সিরিয়ার উপর নির্মম হত্যাকান্ড দেখে সারা দুনিয়ার মুসলমানগন হায়!হায়! করলেও শুধু মাত্র ইসলাম ধর্মের প্রান কেন্দ্র সৌদি “বাদশা” কর্তৃক তেমন কোনো প্রতিবাদ, অনুসূচনা প্রকাশ করতে দেখিনা! বিজাতিদের প্রতি ধিক্কার দেয়ার মানসিকতা তাঁর মাঝে আছে বলে মনে হয়না।

    অথচ সৌদির “বাদশা” কর্তৃক সবচেয়ে অগ্রগামী ভূমিকা পালন করা উচিৎ ছিল বলে মনে করি। ইসলাম ধর্মের শীর্ষ রাষ্ট নায়ক হিসাবে। প্রতিটিমূহুর্তে কতযে নির্মম ভাবে সিরিয়ার নারী-পুরুষও নিষ্পাপ শিশু মৃত্যুবরন করছে বিজাতিদের আক্রমনে! তা দেখে বিশ্বের মুসলমানগন ঘুমাও কেমন করে?দু’ দিন পর যে তোমার কিংবা আমার উপর আক্রমন করবেনা তার কি নিশ্চয়তা আছে? এইসব দেখে নীরব থাকছো কেমন করে? তা ভাবতেই অবাক লাগে! এই নাকি মানবতা বলে!বিগত দিনে একএক করে কত গুলি মুসলিম দেশ ধ্বংস করলো! তার হিসাব কে রাখে! অপরাধ-ই-বা কি ছিলো? অপরাধ শুধুই একটা তা হচ্ছে (তৈল+গ্যাস) আছে, মুসলমানদের কাছে।

    এই সব আল্লাহপাক কেনো মুসলমানগনের মাঝে দান করলেন?তার প্রায়চিত্ত পাচ্ছে বিজাতিদের কাছে। এইসব ভোগ করার কারনে বিজাতি গোষ্টি কর্তৃক নানাহ চক্রান্তের জালবুনে সহজ- সরল মুসলমানগনের মধ্যে সু-কৌশলে দ্বন্ধের সৃষ্টিকরে বিজাতিরা পায়দা লুটছে। পক্ষান্তরে ধ্বংস হচ্ছে সমগ্র মুসলিম জাতি। বিজাতিরা মানবতার গল্প শুনায়। বর্তমানে সিরিয়ার ন্যায় আরো অনেক দেশে যেই ভাবে মানুষ মারচে, তার বিরুদ্ধে কতটুকু ভূমিকা রেখেছেন? সৌদির “বাদশার” মনে হয় মৃত্যূ হবেনা! কারন নিজ ধর্মের মানুষের প্রতি কোনো দরদ দেখিনা!ধর্মের বিধান নড়-চড় করার মতন মনোভাব প্রকাশ পায় তাঁর রাষ্ট পরিচালনায়। নিজের দেশ, তথা বিভিন্ন দেশের মুসলমানগন তাঁর দেশে কর্মের বিনিময়ে অর্থ উপার্জন করে জীবন বাঁচায়।

    অথচ বর্তমানে সৌদি অবস্থানরত প্রতিটা মানুষই হতাশাগ্রস্থ। মনেমনে হায়! হায়! কি জানি, কখন কি হয়!অনেকের সবকিছু কেড়ে নেওয়ায় রাস্তায় রাস্তায় পাগলের ন্যায় ঘুরতে হয়। তারা বাঁচতেও পারেনা, মরতেই চায়না। বর্তমান সৌদির “বাদশার” মনগড়া খেয়ালীপনা শাসন ব্যবস্থা সমগ্র ইসলাম ধর্মকে আরো দুর্বল করে ফেলবে। বিজাতি কর্তৃক নানাহ প্রলোভনে মুগ্ধহয়ে যে সকল কার্যাপ্রনালী চালু করেছেন। তাতে খুব শীঘ্রই সৌদির জনগনের মনে প্রতিবাদের ঝড় তুলবে বলে মনে করি। তারপর সুযোগমত বিজাতিরা সৌদিআরব কব্জা করে নিবে।আল্লাহ এবং প্রিয়, রাসুলের (রঃ) নীতি-রীতির উপর কারো কর্তৃত্ব দেখাতে গেলে ধ্বংস অনিবার্য।

    তারই লক্ষন দেখতেছি, সৌদির “বাদশা”কর্তৃক। সৌদিআরব পবিত্র কা’বা শরীফ ও প্রিয়, নবীজির জন্মস্থান হওয়ায় সমগ্র মুসলিম জাতির শ্রদ্ধা, ভক্তির স্থান। তুলনামুলক ভাবে সৌদির কাছ থেকে একটু বেশীই পাবার ছিলো সমস্ত মুসলিমদের। কিন্তু! বদ নসিবত! সেই দিকে খুব নজর রাখেন নি বর্তমান সৌদির “বাদশা”। এটা সমগ্র মুসলমানদের জন্য দু’সংবাদও বিপদ সংকেত। তাঁরা দুনিয়াবি নেশায় আক্রান্ত। যার দরুন কারো
    প্রতি সু- দৃষ্টিদানে কারপর্ন আছে। আল্লাহ দুনিয়াবি লোভ হতে হেফাজত করুন। বর্তমান প্রেক্ষাপটে সমগ্র মুসলিম জাতি একমনে না থাকলে বিজাতিরা পিঁপড়ার মতন পদপিষ্ট করে নিমীষ করবে মুসলিম জাতিকে।

    এদিকে ভারতে গোপনে গোপনে কিযে নির্যাতন চালাচ্ছে শুধুই মুসলমানদের উপরে! তার খবর কে-ই-বা রাখে? মুসলিমগন মুখে মুখে বড় বড় হাক ছাড়ে, অন্তরে ধর্মের বিধান নড়- চড়ে, যার দরুন এতো নির্যাতন গাঢ়ে চাপে। কেহ বিপদে পড়লে দেয়না সারা কারো ডাকে। আলেমে আলেমে শুধুই দ্বন্ধের সৃষ্টিকরে। যার কূ- ফল সবাইর গাঢ়ে। এহেন কর্মহতে বিরত না থাকলে ধ্বংস মোদের খুব নিকটে। আল্লাহ যেনো হেফাজত করেন ইসলাম ধর্ম তথা সারা দুনিয়াকে।

    লেখক পরিচিতিঃ
    সভাপতিঃ স্বপ্নীলকন্ঠ সাহিত্য সাংষ্কৃতিক পরিষদ কচুয়া উপজেলা শাখা।

    যুগ্মসম্পাদক:- সাপ্তাহিক পাঠক সংবাদ

    Leave a comment

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    চাঁদপুরসহ ২২ জেলায় নতুন ডিসি

    ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

    ভূয়া কবিরাজের কারিশমা‘

    ১৭ জানুয়ারি ২০১৮

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০  
    ১৮ মার্চ দ্বিতীয় ধাপে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ, কচুয়া, মতলব উত্তর, মতলব দক্ষিণ, সদর, ফরিদগঞ্জ ও শাহরাস্তি উপজেলা নির্বাচন
    ১৮ মার্চ দ্বিতীয় ধাপে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ, কচুয়া, মতলব উত্তর, মতলব দক্ষিণ, সদর, ফরিদগঞ্জ ও শাহরাস্তি উপজেলা নির্বাচন