• শিরোনাম

    রোহিঙ্গা সংকট আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে’

    | ১৩ অক্টোবর ২০১৭ | ৭:৪১ পূর্বাহ্ণ

    রোহিঙ্গা সংকট আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে’

    রোহিঙ্গা সংকট আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে’

    রোহিঙ্গা নামের একটি প্রাচীন জাতিগোষ্ঠীর ওপর বর্বর নিধনযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে তা-ই নয়, প্রতিবেশী বাংলাদেশকেও চরম বিপর্যয়ের মধ্যে ফেলে দিয়েছে। মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গার সংখ্যা ১০ লাখ ছাড়িয়ে যাওয়ার পর সীমান্তে নতুন করে রোহিঙ্গা ঢলের আশঙ্কা প্রকাশ জানিয়ে তা মোকাবিলার প্রস্তুতি নিচ্ছে জাতিসংঘ।
    মিয়ানমারের সরকারি বাহিনী ও উগ্র রাখাইন সম্প্রদায় দ্বারা গণহত্যা ও বর্বর নিপীড়নের শিকার রোহিঙ্গাদের পাশে মানবিকতার হাত বাড়িয়ে দাঁড়ানো বাংলাদেশে শেষ পর্যন্ত রোহিঙ্গার সংখ্যা কত হবে আর এর প্রভাবই বা কী হবে তা কারোরই জানা নেই। তবে দেশে-বিদেশে সব মহল থেকেই মহতী উদ্যোগ নিতে গিয়ে বিপুল সম্ভাবনা ও উজ্জ্বল ভবিষ্যতের আলো হাতে এগিয়ে চলা এ দেশটির সমুহ বিপদের মধ্যে পড়ে যাওয়ার কথা তুলে ধরা হচ্ছে। পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি এরই মধ্যে রোহিঙ্গার চাপে কক্সবাজার এলাকার পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা প্রকাশ করেছে। রোহিঙ্গাদের কারণেই এরই মধ্যে ১৫০ কোটি টাকার বনজ সম্পদ ধ্বংস হওয়ার কথা জানিয়েছে ওই কমিটি।

    রোহিঙ্গাদের প্রাণ বাঁচাতে তাদের আশ্রয় দিতে গিয়ে নিরাপত্তা, শান্তি, স্থিতিশীলতাসহ প্রায় সব ক্ষেত্রেই বড় ঝুঁকি নিয়েছে বাংলাদেশ। যে এলাকাগুলোতে এসে রোহিঙ্গারা আশ্রয় নিচ্ছে সেখানে সংখ্যার বিচারে স্থানীয় বাসিন্দারাই এখন সংখ্যালঘুতে পরিণত হচ্ছে। হঠাৎ অন্য একটি দেশের লাখ লাখ নাগরিকের উপস্থিতির প্রভাব পড়ছে ওই এলাকার স্থায়ী বাসিন্দাদের জীবন-জীবিকা, আয়-ব্যয়ের ওপরও। তার চেয়েও বড় শঙ্কা হলো, রোহিঙ্গাদের নির্দিষ্ট একটি স্থানে রাখাই চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। দেশের অন্যত্রও তাদের উপস্থিতি ধরা পড়ছে।

    ঘর নির্মাণে এরই মধ্যে বন বিভাগের তিন হাজার একর জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন হলে আরো বরাদ্দ দেওয়ার ব্যাপারেও ইতিবাচক মনোভাব আছে নীতিনির্ধারকদের। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ও শরণার্থী সেলের প্রধান হাবিবুল কবির চৌধুরী গত মঙ্গলবার ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে প্রকাশ্যেই বলেছেন, ‘অল্প সময়ের মধ্যে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসন সম্ভব না হলে কক্সবাজারের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় তাদের রাখা ঠিক হবে না। তাদের কারণে কক্সবাজার সৌন্দর্যহীন ও পর্যটকশূন্য হয়ে পড়ার আশঙ্কা আছে। ’

    webnewsdesign.com

    হাবিবুল কবির চৌধুরী বলেন, ‘কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে রোহিঙ্গাদের কারণে স্থানীয় বাসিন্দাদের যে কী ক্ষতি হচ্ছে এটি আমরা এখান (ঢাকা) থেকে আন্দাজ করতে পারছি না। এ বিষয়ে খুব দ্রুত একটি সমীক্ষা করা প্রয়োজন। তাদের (ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় বাসিন্দা) কিছু ক্ষতিপূরণ দেওয়া প্রয়োজন। এটি কিভাবে করা যায় তা চিন্তা করা খুবই জরুরি। ’

    ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ হওয়ার লক্ষ্যে বেশ কয়েক বছর ধরেই সুসংহতভাবে এগিয়ে চলছিল বাংলাদেশ। বিশ্বের কাছে সম্ভাবনাময় এ দেশের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবে যোগ হয়েছে মিয়ানমারের বিশাল রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী।

    প্রতিবেশী মিয়ানমার তার রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে নিজ ভূখণ্ড থেকে নির্মূল করার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তাদের কেবল বাংলাদেশেই ঠেলে দেয়নি, বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে রোহিঙ্গা ঘিরে নানামুখী চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, অতীতে এ ধরনের পরিস্থিতিতে বিপন্ন জনগোষ্ঠীকে স্বার্থান্বেষী মহল উগ্রবাদ ও সন্ত্রাসবাদে যুক্ত করেছে। এ ঝুঁকি এখানেও রয়েছে। এ কারণে রোহিঙ্গা সংকটকে পুরো অঞ্চল তথা বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি হিসেবে দেখছে অনেক দেশ।

    নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও ইনস্টিটিউট অব কনফ্লিক্ট, ল অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের নির্বাহী পরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) আবদুর রশিদ বলেন, এত বিপুল বিপন্ন মানুষ যেখানেই থাকবে, সেখানেই বড় ধরনের পরিবেশ বিপর্যয় হবে। সামাজিক কিছু সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে, যেমন স্থানীয় শ্রমিকদের মজুরি কমে যাচ্ছে, যেহেতু চাহিদার তুলনায় শ্রমিকের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। সেখানে একটি অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হতে পারে।

    জাতিসংঘ মহাসচিবের বক্তব্যের বরাত দিয়ে আবদুর রশিদ বলেন, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকারবঞ্চিত এ ধরনের জনগোষ্ঠীকে যেকোনো অশুভ মহল ব্যবহার করতে পারবে। এখানে জঙ্গিবাদের একটি ক্ষেত্র তৈরি হতে পারে। এটি শুধু বাংলাদেশের জন্যই নয়, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক ঝুঁকিও তৈরি করতে পারে।

    আবদুর রশিদ আরো বলেন, তাদের লোভ দেখিয়ে মাদক পাচারসহ বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত করার প্রবণতা দেখা যেতে পারে। এর ফলে সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টি ও আইন-শৃঙ্খলার সমস্যা হতে পারে। এ ছাড়া মানবপাচারকারী চক্রও তাদের অপরাধ তত্পরতা শুরু করে দিতে পারে। যত বেশি দিন তারা থাকবে এ ঝুঁকিগুলো তত প্রবল হবে বলে মনে করেন মেজর জেনারেল (অব.) আবদুর রশিদ। তাঁর মতে, বাংলাদেশ যত দ্রুত রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে পারবে ঝুঁকি ততই কম হবে।

    সরকারি সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, গত অক্টোবর মাসের আগে প্রায় তিন দশক ধরে মিয়ানমারের প্রায় ৩৪ হাজার রোহিঙ্গা ‘নিবন্ধিত শরণার্থী’ হিসেবে বাংলাদেশে অবস্থান করছিল। এর বাইরেও বিভিন্ন অস্থায়ী বসতিতে ছিল প্রায় তিন লাখ অনিবন্ধিত রোহিঙ্গা। গত বছরের ৯ অক্টোবর থেকে মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর নির্বিচার হামলা ও নির্যাতনে প্রায় ৮৭ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করে। গত ২৫ আগস্ট থেকে রাখাইনে পূর্ণমাত্রার গণহত্যা শুরুর পর থেকে পাঁচ লাখ ২১ হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে ঢুকেছে। সীমান্তের ওপারে এখনো অপেক্ষমাণ আছে এক লাখের বেশি রোহিঙ্গা।

    বাংলাদেশসহ মিয়ানমার সীমান্তবর্তী পাঁচটি দেশের রাষ্ট্রদূতরা গত মঙ্গলবার রাখাইন সফরের সময় রোহিঙ্গারা তাঁদের জানিয়েছে, মিয়ানমার ছেড়ে না গেলে তাদের হত্যা করা হবে। তাই তারা প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে আসার চেষ্টা করছে। আর একবার যদি আসতে পারে তাহলে আর কখনো ফিরে যাবে না।

    ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মানবিক সহায়তা কার্যক্রম বিভাগ ইউরোপিয়ান সিভিল প্রটেকশন অ্যান্ড হিউম্যানিটারিয়ান এইড অপারেশন্সের (ইসিএইচও) পরিচালক অ্যান্ড্রুল্লা কেমিনারা এ সপ্তাহে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের একটি কমিটিকে সতর্ক করে বলেছেন, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের কাছে ত্রাণ পৌঁছাতে গিয়ে ত্রাণকর্মীরা বাধা ও নিরাপত্তা সমস্যায় পড়ছেন। তিনি অভিযোগ করেন, ত্রাণকর্মীদের ওপর হামলা হচ্ছে। রোহিঙ্গাদের কাছে যাতে ত্রাণ না পৌঁছে সে জন্য স্থানীয় ব্যবসায়ীদের ত্রাণকাজের জন্য ট্রাক সরবরাহ না করতে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ নির্দেশ দিয়েছে। ইউরোপীয় পার্লামেন্ট কমিটিকে কেমিনারা আরো বলেছেন, পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে মনে হচ্ছে যে আগামী দুই-তিন মাসের মধ্যে রাখাইন রাজ্যে আর কোনো রোহিঙ্গা থাকবে না।

    এদিকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীও গত মঙ্গলবার ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, ইতিহাসে প্রথমবারের মতো রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠীর মূল অংশ বাংলাদেশে চলে এসেছে। মিয়ানমারের উত্তর রাখাইনে বসবাসরত ১৭ থেকে ১৮ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মধ্যে ৯ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে এ পর্যন্ত বিভিন্ন অজুহাতে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। আরো চার লাখ রোহিঙ্গা বিভিন্ন দেশে বসবাস করছে।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মতে,কে পাঁচ লাখ রোহিঙ্গা অবশিষ্ট আছে। এর মধ্যে এক লাখ ২০ হাজার রোহিঙ্গা বিভিন্ন আইডিপি (অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত) ক্যাম্পে ও বাকিরা বিচ্ছিন্ন গ্রামে বসবাস করছে। তিনি বলেন, গত ২৫ আগস্টের পর থেকে বুথিডং ও মংডুকে সচেতনভাবেই রোহিঙ্গাশূন্য করে ফেলা হচ্ছে এবং সেখানে মুসলমানদের ভয় দেখিয়ে বা জোর করে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। বাকি মুসলমানদেরও মংডুতে বিভিন্ন ক্যাম্পে নেওয়া হচ্ছে বা হতে পারে।

    জানা গেছে, রোহিঙ্গা ইস্যুতে কূটনৈতিক তত্পরতার অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত হিসেবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলমকে চীন ও রাশিয়া পাঠানো হচ্ছে।

    পররাষ্ট্রসচিব মো. শহীদুল হক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ার যে সাহস ও মানবিকতা দেখিয়েছেন তা নজিরবিহীন। ইউরোপে যখন বাইরে থেকে আশ্রয়প্রার্থীরা ঢুকছিল তখন তা ঠেকাতে পোল্যান্ড, হাঙ্গেরি ও বুলগেরিয়ার মতো দেশ সীমান্তে সীমান্তে সেনা, ট্যাংক মোতায়েন করেছিল। এর সঙ্গে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট তুলনা করলে দেখা যাবে, এ দেশ অনেক মানবিক ভূমিকা পালন করেছে। এটা বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত ও প্রশংসিত।

    সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ‘শরণার্থী’ মর্যাদা দিলে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর বিষয়টি আরো জটিল হয়ে উঠতে পারে। তাই রোহিঙ্গাদের তাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে পাঠানোর মাধ্যমে এ সমস্যার স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্য নিয়েই সচেতনভাবে কাজ করা হচ্ছে।

    তবে কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, অতীতেও বাংলাদেশে শরণার্থী মর্যাদা না পাওয়া রোহিঙ্গাদের ‘শরণার্থী’ হিসেবে ঘোষণার জন্য সরকারের ওপর চাপ ছিল। আগামী দিনে এ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আসতে পারে। সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জন্য সংকট আরো জোরালো হতে পারে। তা ছাড়া রোহিঙ্গাদের জন্য সরকারের দীর্ঘ মেয়াদে ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করা এবং সেখানে বিদেশি সহায়তা অব্যাহত রাখাও একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

    দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব হাবিবুল কবির চৌধুরী বলেছেন, ‘আমরা প্রাথমিকভাবে অনেক ত্রাণসামগ্রী পাচ্ছি। দীর্ঘ মেয়াদে যদি তারা থাকে তাহলে প্রচুর ত্রাণ লাগবে। এই বিপুল চাহিদা আমরা কিভাবে মেটাব সেটি এখন থেকেই চিন্তা করা দরকার। ’

    নানা দিক বিবেচনা করে সরকার রোহিঙ্গাদের একটি এলাকায় রাখার পরিকল্পনা নিয়েছে। কিন্তু জাতিসংঘ সতর্ক প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে বলেছে, একটি শিবিরে এত বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে রাখা হলে রোগবালাই মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়তে পারে। তবে যুগ্ম সচিব হাবিবুল কবির চৌধুরী বলেছেন, যে কটি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তাঁরা করণীয় ঠিক করেছেন সেগুলোর মধ্যে রোগবালাইয়ের মহামারির আশঙ্কাও অন্যতম। তিনি বলেন, তাঁরা আশ্রয় নির্মাণ, খাদ্য ও পানি, টয়লেট, স্বাস্থ্যসেবা, শিশু খাদ্য, গর্ভবতী মহিলাদের জন্য বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা, সংযোগ সড়ক নির্মাণ, অনাথ শিশুদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ, রোগবালাইয়ের মহামারি ঠেকাতে ব্যবস্থা এবং নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন।

    Leave a comment

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০
    ১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
    ১৮১৯২০২১২২২৩২৪
    ২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
    হাজীগঞ্জে ছোট বোনের হাতে বড় বোন খুন
    হাজীগঞ্জে ছোট বোনের হাতে বড় বোন খুন