• শিরোনাম

    রেমিট্যান্স অ্যাওয়ার্ডে হুন্ডি ছিল আলোচনায়

    | ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ | ৩:৫৩ পূর্বাহ্ণ

    রেমিট্যান্স অ্যাওয়ার্ডে হুন্ডি ছিল আলোচনায়

    নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ বাংলাদেশ ব্যাংক বেশি রেমিট্যান্স পাঠানো ও সংগ্রহ করা ৩৫ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করেছে। তবে রেমিট্যান্স অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানটির আলোচনায় মূল বিষয় হয়ে উঠেছিল অবৈধ পথে রেমিট্যান্স আসার প্রসঙ্গ।

    বক্তারা মনে করছেন, অবৈধ পথে রেমিট্যান্স আসার কারণে প্রবাসী আয় কমছে। তাই হুন্ডির বিরুদ্ধে এখনই ব্যবস্থা নিতে হবে। অনেকেই বলেছেন, সম্প্রতি মোবাইলে আর্থিক সেবা প্রদানকারী বিকাশ ও তার এজেন্টদের বিরুদ্ধে যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তার ইতিবাচক প্রভাব পড়বে প্রবাসী আয়ে।

    রাজধানীর বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ হলে আজ মঙ্গলবার বিকেলে এ অনুষ্ঠান হয়।

    webnewsdesign.com

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, বৈধ পথে রেমিট্যান্স আসতে যেসব বাধা রয়েছে, এর সবই দূর করতে হবে। এ জন্য সবাইকে উদ্যোগ নিতে হবে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির বলেন, মোবাইল ব্যাংকিং যদি বৈধ চ্যানেলে প্রবাসী আয় আসতে বাধা দেয়, তাহলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সম্প্রতি এমন ব্যবস্থা নেওয়াও হয়েছে।

    প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব নমিতা হালদার বলেন, রেমিট্যান্স আসতে বিকাশ ও রকেটের পাশাপাশি কিছু দালাল সমস্যা করছে।

    ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল হামিদ মিঞা বলেন, বিকাশের বিরুদ্ধে যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তার ইতিবাচক প্রভাব পড়বে রেমিট্যান্স আয়ে।

    আলোচনায় আয় পাঠানো প্রবাসীদের প্রকৃত দেশপ্রেমিক ও বীর বলে আখ্যায়িত করেন অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) শামস উল ইসলাম। আর সোনালী ব্যাংকের এমডি ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ আফসোস করে বলেন, সোনালী ব্যাংকের সোনালি দিন আর নেই। ২০০৭ সাল পর্যন্ত আমরাই সবচেয়ে বেশি প্রবাসীয় আয় আনতাম।

    অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এস কে সুর চৌধুরী বলেন, এখন মোবাইল ও কার্ডের মাধ্যমে ঘরে বসেই রেমিট্যান্স পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    অনুষ্ঠানে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রেরণকারী ও বন্ডে বিনিয়োগকারী ৩৫ জনকে পুরস্কৃত করা হয়। এর মধ্যে ১৭ জন সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাস করছেন। অপর নয়জন যুক্তরাষ্ট্র, কুয়েত, জার্মানি, সিঙ্গাপুর, কাতার ও অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত।

    দক্ষ ক্যাটাগরিতে পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন, মাহতাবুর রহমান, অলিউর রহমান, এমাদুর রহমান, মাহবুবুল আলম, আবদুল করিম, জাকির হোসেন, মনির হোসেন, মো. শফিক, নূপুর কুমার ভৌমিক, মো. কামরুজ্জামান, আবু নাইম মো. তৌহিদুল আলম, এ এইচ এন তাজুল ইসলাম ও আবদুল হাকিম।

    অদক্ষ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পান মনির হোসেন, ইসমাইল হোসেন, ডলি মোহাম্মদ, বিকাশ কান্তি সুশীল, মোহাম্মদ ইউসুফ, মাসুদ পারভেজ, আব্দুল কুদ্দুস ও মোরশেদুল ইসলাম।

    এ ছাড়া প্রবাসী বন্ড কেনায় পুরস্কার পান জামিল হায়দার, নুর মোহাম্মদ, শামীমা হোসেন, নিহাল রে রহিম ও নাভিদ রশিদ খান।

    প্রবাসীদের উদ্যোগে গঠিত এক্সচেঞ্জ হাউস প্লাসিড এনকে করপোরেশন, ন্যাশনাল এক্সচেঞ্জ, এনইসি মানি ট্রান্সফার ও সানমান গ্লোবাল এক্সপ্রেসকে পুরস্কৃত করা হয়। বেশি আয় আনার জন্য ইসলামী ব্যাংক, স্টান্ডার্ড চার্টার্ড, সোনালী, অগ্রণী ও জনতা ব্যাংককে পুরস্কৃত করা হয়।

    Leave a comment

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩
    ১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
    ২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
    ২৮২৯৩০৩১  
    দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও যাচ্ছে মতলবের ক্ষীর
    দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও যাচ্ছে মতলবের ক্ষীর