• শিরোনাম

    বড় ছেলের প্রতি আচরন! একটি সামাজিক অপরাধ ––ডা. মো. মাকসুদ উল্যাহ

    | ১১ নভেম্বর ২০১৭ | ৮:৪৬ পূর্বাহ্ণ

    বড় ছেলের প্রতি আচরন! একটি সামাজিক অপরাধ ––ডা. মো. মাকসুদ উল্যাহ

    বড় ছেলের প্রতি আচরন! একটি সামাজিক অপরাধ ––ডা. মো. মাকসুদ উল্যাহ

    জানামতে কুরআন হাদীসে পিতার মৃত্যুর পর  নিজের কর্মসংস্থানের দ্বারা  ছোট ভাই বোন বা সমস্ত পরিবারের খরচ যোগানোর ব্যপারে  বড় ছেলে বাধ্য নয়।

    এটা তার দায়িত্ব নয়। বরং ছোট ভাই বোন নাবালেগ/ অবুঝ হলে পিতার রেখে যাওয়া সম্পদ সততার সাথে সংরক্ষন করার মাধ্যমে সেই সম্পদ যুক্তিসঙ্গত এবং  ন্যয্য  উপায়ে ছোট ভাই বোনের লেখাপড়া এবং কর্মসংস্থান করার জন্য ব্যয় করতে পারে।

    কিন্তু যদি পিতার মৃত্যুর পর বড় ছেলে ছাত্র থাকা অবস্থায় কষ্ট করে  নিজে খেয়ে না খেয়ে মা,  ভাই-বোনের আহার যোগায়, ভাই-বোনকে সাধ্যমতো লেখাপড়া করায় এবং পরবর্তীতে মা সহ ভাই-বোন সেটাকে প্রকাশ্যে অস্বীকার করে ; তা হলে সেটা কেমন হয়? গ্রামের নিম্নবিত্ত অশিক্ষিত পরিবার  থেকে উঠে আসা বড় ছেলেদের ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যতিক্রম ছাড়া তাই হচ্ছে অহরহ ।

    webnewsdesign.com

    অবিশ্বাস্য মনে হলেও এটা সত্য যে  কোনো কোনো ক্ষেত্রে মা তার এ ধরনের বড় ছেলের সাথে সৎ মায়ের চেয়েও খারাপ আচরন করে। অনেক সময় দেখা যায়, মা তার বড় ছেলেকে নিছক অন্য সব সন্তান্দের সুখ শান্তির হাতিয়ার মনে করে মাত্র।

    মা এক সময় ঘোষনা করে, বড় ছেলে আমার সংসারে কিছুই দেয় নি, যা দিয়েছে ছোট ছেলেরা দিয়েছে!  সাত আট সন্তানসহ দিন এনে দিন খাওয়া যে পিতার জন্য রীতি মতো কষ্টের ব্যাপার, সে পিতার বড় ছেলে যদি অক্লান্ত পরিশ্রম করে   লজিং থেকে, টিউশনি করে, কোচিং সেন্টারে শিক্ষকতা করে এবং কোনো প্রতিষ্ঠানের বৃত্তি পেয়ে টেনেটুনে কোনোদিন ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ব্যাংকার, আইনজীবী  বা অন্য কোন সরকারি বা বেসরকারি অফিসার হয়, তখন সবাই বলতে শুরু করে পিতা অনেক কষ্ট করে ছেলেকে উচ্চশিক্ষিত করে মানুষ  বানিয়েছেন,  যদিও অধিকাংশ খেত্রেই  সেখানে পিতার ‘বিশেষ’ কোন অবদান ছিল না । এক্ষেত্রে তার দোয়া থাকে মাত্র। কিন্তু বড় ভাই যখন নিজে কষ্ট করে সাত-আট জন  ছোট ভাই বোনকে নিজের কষ্টের উপার্জিত  টাকা ব্যয় করে লেখা পড়া করান তখন সমাজের অনেকেই সেটা কোনোদিন স্বীকার করেন না বরং দেখেও না দেখার ভান করেন, যদিও সেটা প্রকৃতপক্ষে বড় ভাইয়ের দায়িত্ব ছিল না । পিতা মাতার অবদান কেউ অস্বীকার করে না , করতে পারে না; কিন্তু বড় ভাইয়ের অবদান অনেকেই অস্বীকার করে!  বিষয়টি বড়ই দুঃখজনক।  প্রায়ই দেখা যায় একজন আরেক জনের সাথে প্রথমবার  পরিচিত হওয়ার সময় যদি জানতে পারে তিনি পরিবারের বড় ছেলে , তখন ক্ষণকাল বিলম্ব না করে তারা আচমকা  বলতে শুরু করেন, “তোমার তো  অনেক দায়িত্ব”!

    এভাবে প্রকৃতপক্ষে একজন লোককে পথে ঘাটে বিনা কারনে অপমানিত করা হয়।   অথচ তারা কখনোই জিজ্ঞাসা করেন না, ” পরিবারের জন্য দায়িত্ব পালন করে এখন পর্যন্ত নিজেকে কতটা কষ্ট দিয়েছ আর তোমার পিতামাতা,  ভাই বোন  তোমার সেই কষ্টকে এখন পর্যন্ত  কতটা অস্বীকার করেছে বা তোমাকে  কি পরিমান অপমানিত করেছে?” বড় ভাইয়ের দায়িত্ব কি বাপের দায়িত্বের চাইতেও  বেশি? কিন্তু বর্তমান সময়ের গ্রামাঞ্চলের কারো কারো কথায়,  চাল চলনে মনে হয় বড় ভাইয়ের কাজ হচ্ছে সে নিজেকে বঞ্চিত করে হাড়ভাঙা পরিশ্রম করে ছোট ভাই বোনকে লালন পালন করাবে, লেখাপড়া করাবে এবং দিন শেষে পরিবার ও সমাজের সবাই মিলে তার অবদানকে অস্বীকার করে বরং তাকে আরো বঞ্চিত এবং অপমানিত করাটাই সবার দায়িত্ব ! এটা একটা সামাজিক অপরাধ।

    এ কুসংস্কার, এ অন্যায়  দূর হওয়া উচিত। কুরান হাদিছে কোথাও পরিবারের বড় ছেলেকে বা একটি মাত্র ছেলেকে বা মেয়েকে পুরো পরিবারের রিজিক যোগাতে বাধ্য করে নি। পরিবারের বড় ছেলেও একটা মানুষ । আর সে কারনেই তার শারীরিক ও মানসিক ক্ষমতার আছে একটা সীমাবদ্ধতা । তার অতি প্রাকৃতিক কোন ক্ষমতা বা সামর্থ্য নেই। দেখা যায় কোন পিতা যখন তার সন্তানদেরকে লেখাপড়া শিখিয়ে স্বাবলম্বী করতে পারেন না , তখন সমাজের কেউ এ নিয়ে পিতাকে কোনদিন কোন প্রশ্ন করে না; অথচ একই ব্যপারে আর্থিক ভাবে অক্ষম  বড় ভাইকে সমাজের লোকেরা নাস্তানাবুদ করতে চেষ্টা করে পরিবারে ফ্যাসাদ সৃষ্টি করে। এ কি আজব আচরন! অনেক ক্ষেত্রে তারা একটি পরিবারে ভাইদের মধ্যে ফ্যসাদ সৃষ্টি করে পরিবারটিকে ধ্বংস  করার জন্য ইচ্ছা করেই এ কুসংস্কার উস্কে দেয়!   অথচ কুরআন হাদিছে কোথাও বড় ভাইকে এ ধরনের দায়িত্ব দেয়া হয় নি!

    শিক্ষিত সচ্ছল পরিবারে এমন ঘটনা সাধারনত ঘটে না। কারন সেখানে সব সন্তানকে পিতামাতা নিজেরাই প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে লেখাপড়া এবং স্বাবলম্বী  করান। সর্বোপরি শিক্ষিত পিতামাতাকে অসাধু লোকেরা বিভ্রান্ত করতে পারে না।

    সমাজে কিছু লোক থাকে যারা নিজেরা নিজেদের জীবনে কিছু গড়তে জানে না কিন্তু অন্যের হাড়ভাঙা পরিশ্রমের দ্বারা গড়া জিনিস ভাঙতে ওস্তাদ এবং এ জন্য তারা অপচেষ্টার কোন ত্রুটি রাখে না। একটি উদাহরন দিলে বিষয়টি বুঝতে সহজ হবে। গ্রামের  এক হতদরিদ্র পিতার চার ছেলে তিন মেয়ে আছে, তিনি দিন আনেন দিন খান। জমি জমা নেই বললেই চলে। কালের পরিক্রমায় তার বড় ছেলে এক সময় বুয়েটে চান্স পায় এবং প্রথম বর্ষেই পিতা মারা যান। যাই হোক টিউশনি করে, কোচিং সেন্টারে ক্লাশ নিয়ে এবং কোন সংস্থার কিছু বৃত্তি পেয়ে ,  টেনে টুনে , খেয়ে না খেয়ে সে তার লেখাপড়া চালিয়ে যায় আর বাকি টাকা বাড়িতে মা ভাই বোনের জন্য পাঠায় ।   এক সময় ছেলে ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করে। পাস করা মাত্রই গ্রামের কিছু অসাধু লোক তার মাকে বলতে শুরু করে,  আপনার ছেলে ইঞ্জিনিয়ার হয়েছে , লাখ লাখ টাকা ইনকাম করতেছে, কই বাড়িতে একটি দালান বানায় না কেন? ছোট ভাইগুলিকে চাইলেই বিদেশ পাঠিয়ে দিতে পারে, অথচ তা করছে না! আর ভাই গুলিকে বলতে থাকে , তোদের বড় ভাই তো অনেক টাকা আয় করতেছে, শহরে অনেক গুলো বাড়ি-গাড়ি আছে;  তোদেরকে আর স্কুলে পাঠায় কেন? তোদেরকে বিদেশ পাঠিয়ে দিলেই তো পারে । বোনদেরকে  বলতে থাকে,  তোরা আর স্কুলে পড়ে  কি করবি? তোদের ভাই ইঞ্জিনিয়ার, লাখ লাখ টাকা! এখন তোদেরকে শুধু বড় লোকদের কাছে বিয়ে দিলেই তো পারে! অসাধু লোকদের প্ররোচনায় ভাই-বোন গুলো  বাস্তবতার দিকে না তাকিয়ে  তাদের চলমান লেখাপড়া বা কর্মসংস্থানের চেষ্টায়  ঢিলেমি শুরু করে এক সময় অঘোষিত বিদ্রোহ শুরু করে! এতে করে আর্থসামাজিক অবকাঠামোর অপচয় হয়।  কিন্তু বাস্তবে দেখা যায় বড় ছেলে ইঞ্জিনিয়ার হয়েছে ঠিকই কিন্তু সে এখনো কোন চাকুরীতে  যোগদান করতে  পারেনি বা কোন চাকুরি করলেও বেতন মাত্র বিশ/ত্রিশ  হাজার টাকা। এ বেতন দিয়ে সে নিজেই একটি  শহরে ঠিকমত চলতে পারে না। হুট করে বাকি তিনটি ভাইকে বিদেশ পাঠানোর জন্য আর তিনটি বোনকে বড় লোকের কাছে বিয়ে দেয়ার জন্য  লাখ লাখ টাকা আনবে  কোথা থেকে? অবিশ্বাস্য হলেও সত্য , এক সময় মা ও ওই অসাধু লোকদেরকে নিজের শুভাকাঙ্ক্ষী ভেবে তার বড় ছেলেকে অবিশ্বাস করতে শুরু করে! বড় ছেলে তার মা, ভাই-বোনকে হাজারো বুঝিয়েও ব্যর্থ হন। ছোট ভাই-বোনগুলি তার কোন আদেশ / উপদেশ না মেনে ওই অসাধু লোকদের উপদেশ মানতে শুরু করে!  তবে শিক্ষিত মাকে অসাধু লোকেরা এভাবে বিভ্রান্ত করতে পারে না।   এভাবে সরবোচ্চ ছয় মাস থেকে দেড় বছর সময়ের মধ্যে প্রিবারিক বন্ধন ছিন্ন বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।  এভাবেই  অসাধু লোকেরা বড় সন্তান বা বড় ভাইয়ের সাথে গ্রামের সহজ সরল  মা আর ছোট ভাই-বোনের অবিশ্বাস আর ফিতনা-ফ্যাসাদ সৃষ্টি করে পরিবারটিকে ধ্বংস করে। ফলে সমাজে অস্থিরতা, হিংসা- বিদ্বেষ , হানাহানি, অপপ্রচার বৃদ্ধি পায়।

    অনেক সময় দেখা যায় কোন একটি নিম্নবিত্ত  পরিবারে একটি মাত্র ভাই আর পাঁচটি বোন আছে। ভাইটি কষ্ট করে লেখাপড়া করে একটি ব্যাংক অফিসার হিসাবে চাকরি পেয়েছে। বোনগুলি সবাই বিবাহিত। ভাইটির বেতন ২০/২৫ হাজার টাকা। বোনগুলি অল্পশিক্ষিত বা অশিক্ষিত। এমতাবস্থায় বোনেরা চায় , ভাইটি যেন প্রতি মাসে অন্তত একবার তাদেরকে দাওয়াত করে পোলাও কোরমা খাওয়ায়!

    কোন ছেলে যখন তার মায়ের চেয়ে তার শাশুড়িকে বেশি শুভাকাঙ্ক্ষী মনে করে, তখন সেটা যেমন দুঃখজনক , তেমনি মা যখন তার গর্ভজাত ছেলে  সন্তানের চাইতে পাশের বাড়ির কোন লোককে বেশী  শুভাকাঙ্ক্ষী মনে করে তখন সেটাও হয় খুবই দুঃখজনক । মাকে এ কথা বুঝতে হবে যে,  তার স্বামী মারা যাওয়ার পর তার এই বড় ছেলেই ছাত্র থাকা অবস্থায় মানবেতর জীবন যাপন করে বাড়িতে তার জন্য এবং তার বাকি সন্তানদের জন্য টাকা পাঠিয়েছে , পাশের বাড়ির ওই লোকেরা নয়। ঠিক একই কথা ছোট ভাই বোনদের জন্যও প্রযোজ্য । এখন একটি ছেলে ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার কারনে ওইসব অসাধু লোকেরা  সেটা সহ্য করতে না পেরে মা আর ছোট ভাই বোনদেরকে ভুল বুঝাচ্ছে!     কোন পরিবারে পিতার মৃত্যুর পর ছোট ভাইয়েরা যখন  বালেগ হয়, তখন তাদের উচিত কোন অসাধু লোকের প্ররোচনায় বড় ভাইয়ের দিকে তাকিয়ে না থেকে বরং  নিজেদের যোগ্যতা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেরা স্বাবলম্বী হতে চেষ্টা করা। কারন প্রত্যেকেরই একটা নিজস্ব শারীরিক ও মানসিক  যোগ্যতা আছে। কিন্তু কুসংস্কারবশত বড় ভাইয়ের দিকে তাকিয়ে থাকলে এক্ষেত্রে বরং নিজের যোগ্যতা ও সময়ের  অপচয় হয় মাত্র।  সবাই পরিবারের বড় সন্তান নন কিন্তু এক সময় সবার বড় সন্তান থাকবে। তখন তিনি যেন অন্যায়ভাবে বড় সন্তানের ওপর বা কোন একটি মাত্র সন্তানের ওপর  বাকি সন্তান্দের রিযিকের দায়িত্ব চাপিয়ে না দেন।

    কিছু কিছু ক্ষেত্রে বড় মেয়েকে এ ধরনের অন্যায় পরিস্থিতিতে পড়তে দেখা যায়।     সব পরিবারে বড় ছেলেকে বা বড় মেয়েকে  এ ধরনের পরিস্থিতিতে পড়তে হয় না। শুধু বড় ছেলেই নয়, পরিবারের কোন একটি মাত্র ছেলে বা মেয়ের ওপর কখনোই বাকি সব ভাই বোনের দায় দায়িত্ব চাপিয়ে দেয়ার পক্ষে কুরআন বা হাদিছে কোন সমর্থন আছে বলে শুনি নি বা দেখি নি কোন দিন ।

    বরং সবার উচিত ছোট ভাইদেরকে একথা বুঝানো যে, ১. তোমাদের কি বড় ভাইয়ের মতো হাত,  পা, চোখ,  নাক, কান,  মগজ ইত্যাদি নাই?
    ২. তোমরা কি দৃষ্টিহীন, বোবা,  বধির, পঙ্গু নাকি, য কারনে বড় ভাই উপার্জন করে এনে তোমাদের জন্য সব ব্যবস্থা করবে? আর তোমরা হাত পা গুটিয়ে সেই আশায় বসে থাকবে!
    ৩. তোমাদের কি আত্মসম্মানবোধ নাই,  যে কারনে তোমরা ননীর পুতুল হয়ে বসে থাকবে,  আর বড় ভাই সব করে দিবে?

    পবিত্র কুরআনে সুরা আল জুমা ১০ নং আয়াতে  বলা হয়েছে, “নামাজ আদায় শেষে তোমরা জমিনে ছড়িয়ে পড়ো এবং আল্লাহর অনুগ্রহ অনুসন্ধান করো”।  এখানে অনুগ্রহ অনুসন্ধান বলতে রিযিক অনুসন্ধান বুঝানো হয়েছ। এখানে তো এমন বলা হয়নি যে, ” বড় সন্তান আল্লাহর অনুগ্রহ অনুসন্ধান করো আর ছোটরা হাত পা গুটিয়ে বসে থাকো”।  বরং সবাইকেই নিজনিজ রিযিক অনুসন্ধান করতে বলা হয়েছে।

    মানুষ কুরআন হাদিছের সাথে সম্পর্কহীন কথিত ‘বড় ভাইয়ের দায়িত্ব’ নিয়ে যতটা সোচ্চার ; তার একশ ভাগের এক ভাগ যদি ইসলামের ফরজ এবং মৌলিক বিধান নিয়ে সোচ্চার থাকতো তাহলে দেশে শান্তির বন্যা বয়ে যেত।  ‘বড় ভাইয়ের দায়িত্ব ‘  নামের এই কুসংস্কারের কারনে ভুক্তভোগীরা  শিক্ষা দীক্ষা , জ্ঞান বিজ্ঞান, ব্যবসা বাণিজ্য ,  চাকরি বাকরিতে পিছিয়ে যাচ্ছে দিনে দিনে।

    লেখকঃ  চিকিৎসক , ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা। 

    Leave a comment

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    চাঁদপুরসহ ২২ জেলায় নতুন ডিসি

    ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

    ভূয়া কবিরাজের কারিশমা‘

    ১৭ জানুয়ারি ২০১৮

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০  
    ১৮ মার্চ দ্বিতীয় ধাপে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ, কচুয়া, মতলব উত্তর, মতলব দক্ষিণ, সদর, ফরিদগঞ্জ ও শাহরাস্তি উপজেলা নির্বাচন
    ১৮ মার্চ দ্বিতীয় ধাপে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ, কচুয়া, মতলব উত্তর, মতলব দক্ষিণ, সদর, ফরিদগঞ্জ ও শাহরাস্তি উপজেলা নির্বাচন