• শিরোনাম

    বাংলাদেশে মাদকসেবীদের মধ্যে বাড়ছে এইডস

    | ০১ ডিসেম্বর ২০১৭ | ৭:০৫ পূর্বাহ্ণ

    বাংলাদেশে মাদকসেবীদের মধ্যে বাড়ছে এইডস

    আজ এইডস দিবস
    বাংলাদেশে মাদকসেবীদের মধ্যে বাড়ছে এইডস
     নিজস্ব প্রতিবেদক
    বাংলাদেশে মাদকসেবীদের মধ্যে বাড়ছে এইডসমাদকসেবীদের মধ্যে মারণব্যাধি এইচআইভি-এইডস আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যাচ্ছে বাংলাদেশে।  এখনই সচেতন হতে না পারলে ভয়ঙ্কর এ রোগে আক্রান্তের হার বাড়তেই থাকবে।
    বাংলাদেশে এমন অনেকে আছেন যারা জানেনও না যে তারা ভয়ঙ্কর এ রোগটিতে আক্রান্ত।  সংক্রামক এ রোগটি অজান্তেই আক্রান্তরা ছড়িয়ে বেড়াচ্ছেন।  সরকারি পরিসংখ্যান অনুসারেই, বাংলাদেশে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে এইচআইভি ছড়াচ্ছে ০.৭ শতাংশ হারে।
    অন্য দিকে বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিম সীমান্তে হিলি পয়েন্টে পতিতাদের মধ্যে এটা বাড়ছে ২.৭ শতাংশ হারে।  পুরান ঢাকায় ইনজেকশনের মাধ্যমে মাদকসেবীদের মধ্যে এইচআইভি ৬.৪ শতাংশ।
    এ অবস্থায় আজ (১ ডিসেম্বর) বাংলাদেশে পালন হবে এইডস দিবস।

    এইচআইভি-এইডস আক্রান্তের সংখ্যা কম এসব কথা বলে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার মতো কোনো সুযোগ নেই।  শিশু থেকে বৃদ্ধ বয়সী প্রায় ১২ হাজার মানুষ রোগটিতে আক্রান্ত।  এর মধ্যে বয়স্ক মানুষই রয়েছেন প্রায় ১১ হাজার।  ১৫ বছর থেকে বেশি বয়সী নারী প্রায় চার হাজার।  ১৫ বছরের বেশি বয়সী আক্রান্ত পুরুষের সংখ্যা প্রায় সাড়ে সাত হাজার।

    রোগটি যে কেবল অনিরাপদ যৌন সম্পর্কের কারণে হয়ে থাকে তা এখন আর শতভাগ সত্য নয়।  রোগটি নানাভাবে ছড়িয়ে পড়তে পারে।  বেশ কয়েক বছর পুরান ঢাকার মাদক ব্যবহারকারী বিশেষ করে যারা একই সিরিঞ্জের মাধ্যমে গ্রুপে বিভক্ত হয়ে রক্তনালীতে প্যাথেডিনের মতো মাদক নিয়ে থাকেন তাদের মধ্যে রোগটি আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে যাচ্ছে।  দিন যত যাচ্ছে এইচআইভি বাংলাদেশে ভীতিকর একটি রোগ হিসেবে ছড়িয়ে পড়ছে।

    গ্রামেও যে একেবারে নেই তাও বলা যাবে না এখন আর।  তবে রোগটি নিয়ে চলছে সরকারি বা বেসরকারি সব পর্যায় থেকে কঠোর গোপনীয়তা।  আক্রান্তরা কেউ কখনোই প্রকাশ করেন না যে তারা এইচআইভিতে আক্রান্ত।  অবশ্য বাংলাদেশের রক্ষণশীল সমাজের কারণেই ঘটনা প্রকাশ করা হয় না। এখনো সাধারণভাবে ধারণা করা হয়, অনিরাপদ অথবা অবৈধ যৌনতার কারণেই রোগটি হয়ে থাকে।  ফলে আক্রান্তের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠতে পারে অথবা আক্রান্ত অথবা তার পরিবার একঘরে হয়ে পড়তে পারে।  অনেকেই রোগটিতে আক্রান্ত হয়ে পড়তে পারেন সংক্রমিতদের সাথে চললে অথবা একসাথে খেলে এমন ধারণা পোষণ করেন।
    এ কারণে কঠোর গোপনীয়তার মাধ্যমে এইচআইভি-এইডস রোগী অথবা তারা সমাজে নিজেদের প্রকাশ করেন না।  অপর দিকে এখন এটা শুধু চিকিৎসা বিজ্ঞানের সমস্যা নয়, সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং নৈতিক মূল্যবোধের সমস্যা হিসেবেও দেখা দিয়েছে।  অথনৈতিকভাবে ব্যক্তি অথবা সমাজ পিছিয়ে পড়ছে আক্রান্তদের নিয়ে।  তারা আর কর্মক্ষম থাকেন না।  তদুপরি তাদের চিকিৎসার জন্য ব্যয় হয় প্রচুর।  সাধারণের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে থাকে চিকিৎসা ও ওষুধ।

    Leave a comment

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০  
    বোকরা নিষিদ্ধ! হাজীগঞ্জে বোরকা পরার অপরাধে আধাঁঘন্টা খাতা আটক রাখার অভিযোগ
    বোকরা নিষিদ্ধ! হাজীগঞ্জে বোরকা পরার অপরাধে আধাঁঘন্টা খাতা আটক রাখার অভিযোগ