• শিরোনাম

    বাঁশের কঞ্চি দিয়ে শহীদ মিনার তৈরী হবে আর কত কাল!

    | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ | ১০:৪০ পূর্বাহ্ণ

    বাঁশের কঞ্চি দিয়ে শহীদ মিনার তৈরী হবে আর কত কাল!

    হাই কোর্টের নির্দেশনা থাকলেও সাত বছরেও তা বাস্তবায়ন হয়নি
    বাঁশের কঞ্চি দিয়ে শহীদ মিনার তৈরী হবে আর কত কাল!
    এনায়েত মজুমদার॥
    “মোদের গরব মোদের আশা আ-মরি বাংলা ভাষা” ২১ শে ফেব্রুয়ারী মহান আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে এমন সুর বেজে ওঠে দেশসহ বিদেশেও। কিন্তু এ সুর বাজাতে গিয়ে হতাশায় ভোগেন চাঁদপুর জেলার বহু প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।

    কারণ এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নেই কোন শহীদ মিনার। বছরের পর বছর বাঁশের কঞ্চি আর কলা গাছ দিয়ে তৈরি শহীদ মিনারই একমাত্র ভরসা তাদের। বইতে ভাষা শহীদদের ইতিহাস পড়ে-বুঝলেও বাস্তবে তাদের প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা জানাতে এখনো পারেনি এসকল প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীগণ।

    তাই তাদের আক্ষেপ কলাগাছের মিনার আর কতকাল? কোন কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক কিংবা সরকারী ভাবে নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিলেও এখনো নির্মিত হয়নি শহীদ মিনার। জেলা শিক্ষা অফিস তথ্য অনুযায়ী, জেলার ৮টি উপজেলায় কলেজ ৭৫টি, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ২৫০টি মাদ্রাসা ১২৫৭টি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট ১টি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ ১টি, প্রায় ১২০০ প্রাথমিক বিদ্যালয়, প্রায় ৬০০ কেজি স্কুলসহ প্রায় জেলার মধ্যে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

    যার অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানেই নেই শহীদ মিনার। এতে করে কোমলমতি শিশু ও তরুণ ছাত্রছাত্রীরা ৫২’র ভাষা আন্দোলন ও ৭১’র মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস এবং শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। প্রতি বছর ২১ শে ফেব্রুয়ারি এলে এসব প্রতিষ্ঠানে বাঁশ ও কলা গাছের অস্থায়ী শহীদ মিনার বানিয়ে শিশু ও তরুণরা শহীদ দিবস পালন করেন। এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নির্মাণের কোন প্রজেক্ট নেই।

    একটি প্রজেক্ট অনুমোদন হলেও পরবর্তীতে তা বাতিল হয়ে যায়। তবেসরকারী ভাবে কোন প্রজেক্ট আসলে পর্যাক্রমে শহীদ মিনার নির্মাণ করা হবে বলে জানান এই কর্মকর্তা। এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দ্রুত শহীদ মিনার নির্মাণ করে নতুন প্রজন্মকে ভাষা শহীদের ইতিহাস তুলে ধরার পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা ভাষা শহীদদের সম্মান অক্ষুন্ন রাখবে। এমনটাই আশাবাদী সংশ্লিষ্টদের।
    শহীদ মিনার নির্মাণ বাস্তবায়নের নির্দেশ হাইকোর্টের॥ গত ২০১০ সালের ২৫ আগস্ট হাইকোর্ট আদেশ দেন আগামী ৬ মাসের মধ্যে শহীদ মিনার ও ভাষা শহীদদের তালিকা প্রকাশসহ আদালতের আটটি নির্দশনা বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। গত ১৮ বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি আবু তাহের মো সাইফুর রহমান এর বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন। আদেশের পর মামলার আইনজীবী মনজিল মোরসেদ সাংবাদিকদের বলেন, একের পর এক নির্দেশনার কোনোটিই গত ৭ বছর বাস্তবায়ন না হওয়ায় আদালতের নজরে আনা হলে বাস্তবায়নের সময় বেঁধে দিয়েছেন।

    আদালত সূত্রে জানা যায়, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পবিত্রতা ও মর্যাদা রক্ষা এবং জাদুঘর স্থাপনের নির্দেশনা চেয়ে পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২০১০ সালের ২৫ আগস্ট হাইকোর্ট আদেশ দেন। আদেশে শহীদ মিনারের পাশে গ্রন্থাগারসহ জাদুঘর প্রতিষ্ঠা এবং জাদুঘরে ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস সমৃদ্ধ তথ্যপঞ্জিকা রাখা, ভাষা সংগ্রামীদের প্রকৃত তালিকা তৈরি ও প্রকাশ, বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নির্মাণ ও মর্যাদা রক্ষাসহ আটটি নির্দেশনা দেওয়া হয়।
    শহীদ মিনার ছাড়াই হাজীগঞ্জে দেড় শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অমর একুশ পালিত॥ হাজীগঞ্জ উপজেলার প্রায় দু’শতাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নেই। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপনের জন্য শিক্ষার্থীরা দিবসটি সম্পর্কে সঠিকভাবে জানতে পারছে না।

    শিক্ষার্থীরা ভাষা দিবসের দিনটিকে অন্যান্য ছুটির দিনের মতোই কাটিয়ে দেয়। উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, এ উপজেলায় ০৭টি কলেজ, ৩৪ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ২৩টি মাদ্রাসা ও ১৫৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এ ছাড়াও রয়েছে প্রায় ৭৬টি কিন্ডার গার্টেন স্কুল। মোট প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা দাড়ায় ২৯৭টি। এর মধ্যে ১টি কলেজ, ১০টি উচ্চ বিদ্যালয়, ২০টি মাদ্রাসা, প্রায় ১০০টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও উপজেলার ৭০টি কেজি স্কুলসহ মোট ২৩৫টি বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার নেই।

    এর মধ্যে, কাকৈরতলা জনতা কলেজ, মাধ্যমিক স্কুলের মধ্যে ধড্ডা পপুলার উচ্চ বিদ্যালয়, পালিশারা উচ্চ বিদ্যালয়, বোরখার আর্দশ উচ্চ বিদ্যালয়, বেলচোঁ উচচ বিদ্যালয়, বলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, বড়কুল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, মালিগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়, মৈশাইদ পল্লি মঙ্গল এজি উচ্চ বিদ্যালয়, রান্ধুনীমুড়া উচ্চ বিদ্যালয়, সপ্তগ্রাম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, হাজীগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, একুশে গালর্স স্কুল ও আলকাউসার স্কুলসহ মোট ১৩টি মাধ্যমিক স্কুল, মাদ্রাসার মধ্যে উচ্চগাঁ ইসলামীয়া দাখিল মাদ্রাসা, ডাটরা শিবপুর আজিজিয়া দাখিল মাদ্রাসা, দেশগাঁও দারুস সুন্নাহ ইসলামীয়া দাখিল মাদ্রাসা, মকবুল আহমেদ ইসলামীয়া দাখিল মাদ্রাসা, মদিনাতুল উলুম ইসলামীয়া দাখিল মাদ্রাসা, মাদ্রাসায়ে আবেদিয়া মুজাদ্দেদীয়া, রাজাপুর সিদ্দিকীয়া ইসলামীয়া দাখিল মাদ্রাসা (খিলপাড়া),

    হাজেরা আলী ক্যাডেট দাখিল মাদ্রাসা, কাকৈরতলা ইসলামীয়া আলিম মাদ্রাসা, কাপাইকাপ ইসলামীয়া আলিম মাদ্রাসা, বলাখাল এনএমএন আলিম মাদ্রাসা, ছালেহ আবাদ এমএন ফাজিল মাদ্রাসা, নওহাটা ফাজিল মাদ্রাসা, নেছারাবাদ ছালেহিয়া ফাজিল মাদ্রসা, বাকিলা ফাজিল মাদ্রাসা, বেলচোঁ কারিমাবাদ ফাজিল মাদ্রাসা, রাজারগাঁও ফাজিল মাদ্রাসা, রামচন্দ্রপুর কাশেমিয়া ছিদ্দিকীয়া ফাজিল মাদ্রাসা, সাদ্রা হামিদিয়া ফাজিল মাদ্রাসা, হাজীগঞ্জ দারুল উলুম আহমাদিয়া কামিল মাদ্রাসা, আলী আহম্মদ ইসলামীয়া দাখিল মাদ্রাসাসহ ২২টি মাদ্রাসা প্রায় ১২৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ৭৫টি কেজি স্কুলে শহীদ মিনার নেই।

    শহীদ মিনার আছে ৬টি কলেজ, ২১টি মাধ্যমিক স্কুল, সুহিলপুর এবিএস ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসা ও রাজাপুরা ইসলামীয়া দাখিল মাদ্রাসায় শহীদ মিনার রয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের পরিপত্রের সুত্রে জানাযায়, দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নির্মাণ করে রক্ষণাবেক্ষণ করার দায়িত্ব রয়েছে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের। অথচ আইনের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে হাজীগঞ্জের প্রায় দেড় শত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এখনও শহীদ মিনার নির্মাণ না করেই অমর একুশ উদ্যাপন করছে। বিষয়টি শহীদের প্রতি তামাশা করার সামীল। এ বিষয়ে সচেতন দেশ প্রেমিক ও ভাষা প্রেমিকদের দাবী যথাযত কর্তৃপক্ষ এ ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

    এদিকে ভাষা দিবস সম্পর্কে জানতে চাইলে অধিকাংশ মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা জানান, দিবসটি সম্পর্কে তারা স্পষ্ট কিছু ধারনা নেই। বোরখাল আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক মো. দেলোয়ার হোসেন জানান, বিদ্যালয়ের নিজস্ব কোনো অর্থ না থাকায় তারা শহীদ মিনার নির্মাণ করতে পারেননি। ওই বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী জানায়, প্রতি বছর স্কুল প্রাঙ্গণে বেঞ্চ, কলাগাছ দিয়ে অস্থায়ী শহীদ মিনার তৈরি করে ভাষা শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করি। হাজীগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ আলী রেজা আশরাফী জানান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শহীদ থাকার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে সেটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিজস্ব অর্থেই করতে হবে। কয়েকটি বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার আছে। স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠান প্রধানকে শহীদ মিনার তৈরির জন্য তাগিদ দেয়া হয়েছে।

    আমাদের কচুয়ার প্রতিবেদক জানান, কচুয়াতে১৬৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নেই-
    কচুয়া উপজেলার ২শ’ ৫৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১শ’ ৬৮টিতেই শহীদ মিনার নেই। একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মার্তৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি পেলেও এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ভাষা শহীদদের প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা জানাতে পারছে না। তবে কিছু কিছু বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের নিয়ে দূরে গিয়ে কোনো শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি দেন। আবার কোনো কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অস্থায়ীভাবে শহীদ মিনার তৈরি করে শ্রদ্ধাঞ্জলি দেয়। সরকারিভাবে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই দিনটি পালনের নির্দেশনা থাকলেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা কলাগাছ, কাপড় ও বাঁশের কঞ্চি দিয়ে অস্থায়ী শহীদ মিনার তৈরি করে পালন করে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মার্তৃভাষা দিবসসহ অন্যান্য জাতীয় দিবসসমূহ।
    কচুয়া উপজেলা শিক্ষা অফিস ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, কচুয়া উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় মোট ৮টি কলেজ, একটি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, ৪২টি মাধ্যমিক উচ্চ বিদ্যালয়, ২টি জুনিয়র বিদ্যালয়, ৩৫টি মাদ্রাসা, ১৭১টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ১২৯টি কিন্ডারগার্টেন রয়েছে। যেগুলোর মধ্যে ৫টি কলেজ, ১শ’ ৩০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৩৩টি মাদ্রাসা এবং প্রায় ১শ’ ২৯টি কিন্ডারগার্টেনের একটিতেও নেই শহীদ মিনার।
    ড. মনসুর উদ্দিন মহিলা কলেজ ও গুলবাহার আশেক আলী খান স্কুল এন্ড কলেজ ব্যতীত বাকি ৫টি কলেজে নেই শহীদ মিনার। বঙ্গবন্ধুর নামে প্রতিষ্ঠিত কচুয়ার ঐতিহ্যবাহী দুটি ডিগ্রি কলেজের একটিতেও নেই শহীদ মিনার।
    উপজেলার পূর্ব কালচোঁ জিএ দাখিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোঃ ফারুক হোছাইন খান জানান, তার মাদ্রাসায় শহিদ মিনার না থাকায় অস্থায়ীভাবে কলাগাছ দিয়ে শহীদ মিনার নির্মাণ করে শিক্ষার্থীদের নিয়ে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি দেন।

    পরে মাদ্রাসায় ভাষা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
    উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শাহ মোঃ ইকবাল মনসুর বলেন, সরকারিভাবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার নির্মাণের জন্যে কোনো বরাদ্দ দেয়া হয় না। তাই শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয়নি। ১শ’ ৭১টি বিদ্যালয়ের মধ্যে ১শ’ ৩০টি বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার নেই। ফলে ১শ’ ৩১টি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা শহীদ মিনারে ফুল দিতে পারে না। তবে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অস্থায়ীভাবে শহীদ মিনার নির্মাণ করে বিভিন্ন আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নিয়ে ২১ ফেব্রুয়ারি পালন করে।

    বিভিন্ন বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার স্থাপনের জন্যে ম্যানেজিং কমিটি স্থানীয়ভাবে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় শহীদ মিনার নির্মাণের উদ্যোগগ্রহণ করেছেন।
    উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহজাহান শিশির বলেন, এখনো উপজেলার অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নেই। নতুন প্রজন্মের কাছে একুশের অর্জন ও সঠিক ইতিহাস উপস্থাপন করার জন্যে অবশ্যই শহীদ মিনার নির্মাণ করা জরুরি।

    তাই শিক্ষার্থীদের মাঝে মহান একুশে ফেব্রুয়ারি সম্পর্কে বাস্তব ধারণা দিতে আমরা পর্যায়ক্রমে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছি। তবে কিছু স্কুল কমিটির লোকজন নিজস্ব অর্থায়নেও শহীদ মিনার তৈরি করেছেন। যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নেই পর্যায়ক্রমে সেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যতো দ্রুত সম্ভব শহীদ মিনার তৈরি করা হবে।

     

    Leave a comment

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০  
    হাজীগঞ্জে ছোট বোনের হাতে বড় বোন খুন
    হাজীগঞ্জে ছোট বোনের হাতে বড় বোন খুন