• শিরোনাম

    বর্তমান উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড তুলে ধরার পাশাপাশি আগের আমলের দুঃশাসনও মনে করিয়ে দেই—মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসাইন

    | ২২ ডিসেম্বর ২০১৭ | ১১:০৭ পূর্বাহ্ণ

    বর্তমান উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড তুলে ধরার পাশাপাশি আগের আমলের দুঃশাসনও মনে করিয়ে দেই—মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসাইন

    ‌দৈনিক আজকের দেশকন্ঠ মুখোমুখি পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসাইন

    Mohammad hossainনিজস্ব প্রতিবেদক:
    শেখ হাসিনার উদ্যোগ ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ- এই স্লোগানকে সামনে রেখে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ বিভাগের পাওয়ার সেল শাখা। আর সরকারের এই গুরুত্বপূর্ণ বিভাগটিতে পেছন থেকে দীর্ঘদিন ধরে নেতৃত্ব দিচ্ছেন পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক প্রকৌশলী মোহাম্মদ হোসাইন। নিজ প্রতিষ্ঠানকে নিষ্ঠার সাথে সেবা দিয়ে আসা এই ব্যক্তিটি আসতে চান রাজনীতিতে।

    সস্প্রতি রাজধানীর বিদ্যুৎ ভবনে তার নিজস্ব কার্যালয়ে সরকারের বিদ্যুতের সফলতাসহ সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়ে কথা হয় দৈনিক জাগরণের সঙ্গে।

    ‌দৈনিক আজকের দেশকন্ঠ: বর্তমানে বিদ্যুৎ সেক্টরের অবস্থা কেমন?

    মোহাম্মদ হোসাইন: বাংলাদেশের ইতিহাসে ২০০৯ সাল থেকে আজ পর্যন্ত আমি বলবো যে একটা প্যারডিম শিফট হয়েছে জাতীয় জীবনে। ২০০৯ সালে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দায়িত্ব নিয়ে ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি মধ্যম আয়ের দেশ ও ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ার ভিশন নিয়ে কাজ মুরু করেন। এই রূপকল্প নিয়ে আমরাও কাজ শুরু করি। আমাদের টার্গেট ২০২১ সালের মধ্যে দেশের প্রত্যেক নাগরিককে সাশ্রয়ী মূল্যে মানসম্মত বিদ্যুৎ সরবরাহ করা। সে লক্ষ্যে আমরা কাজ শুরু করেছি।

    webnewsdesign.com

    স্বাধীনতার পর থেকে যদি ধরি ২০০৯ সাল পর্যন্ত আমাদের বিদ্যুতের উৎপাদন ক্ষমতা ছিল ৫০০০ মেগাওয়াটের নিচে। আর বর্তমানে সেটি বেড়ে হয়েছে ১৬০০০ মেগাওয়াট। অর্থাৎ গত সাড়ে আট বছরে বেড়েছে তিন গুণেরও বেশি। এটা অভাবনীয়, বিশ্বের এমন নজীর আছে কিনা আমার জানা নেই।

    আমরা যে শুধু বিদ্যুতের উৎপাদন ক্ষমতা বাড়িয়েছি তা না, এর পাশাপাশি সমস্ত ইন্ডিকেটরগুলোও এভাবে বেড়েছে। যেমন ২০০৯ সালে মাথাপিছু বিদ্যুৎ সুবিধাপ্রাপ্ত জনগোষ্ঠীর সনংখ্যা ছিল ৪৭ ভাগ, এখন যেটা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৩ ভাগ। এটাও দ্বিগুণ। ২০০৯ সালে গ্রাহক সংখ্যা ছিল ১ কোটি নয় লক্ষ, এখন যার পরিমাণ ২ কোটি ৭৪ লক্ষ। এটাও প্রায় তিন গুণ।

    শুধু যে পরিমাণগত নয় কোয়ালিটিতেও এগিয়েছি। বিদ্যুৎ খাতের সুশাসনের বড় একটি ইন্ডিকেটর হচ্ছে সিস্টেম লস। আমি যখন ৯৬ সালে বিদ্যুতের পাওয়ার সেক্টরে জয়েন্ট করি তখন বিদ্যুতের সিস্টেম লসের পরিমাণ ছিল ৩০ শতাংশ। ২০০৯ সালে বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করে তখন সিস্টেম লসের পরিমাণ ছিল ১৬ শতাংশ। আজকে সেটা ১০ শতাংশ। আমরা যদি ১ শতাংশ সিস্টেম লস কমেই তাহলে বছরে ৩শ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে। সে আঙ্গিকে গত কয়েক বছরে কয়েক হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে শুধু সিস্টেম লস কমার কারণে।

    ‌দৈনিক আজকের দেশকন্ঠ: দেশের প্রত্যেক মানুষ কত সালের মধ্যে বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় আসবে বলে আপনি মনে করেন?

    মোহাম্মদ হোসাইন: ক্রমবর্ধমান চাহিদা মিটিয়ে ২০২১ সালের মধ্যে প্রত্যেক নাগরিককে বিদ্যুৎ সেবার আওতায় নিয়ে আসার কথা রয়েছে আমাদের। তবে আমরা আশা করছি ২০১৮ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে টার্গেট ফুলফিল করতে পারবো। কারণ প্রতি মাসে আমরা গড়ে প্রায় ৪ লক্ষ গ্রাহককে নতুন সংযোগ দিচ্ছি।

    ‌দৈনিক আজকের দেশকন্ঠ: বর্তমানে আপনারা কোন লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছেন?

    মোহাম্মদ হোসাইন: আমাদের মহাপরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২১ সালের মধ্যে ২৪০০০ মেগাওয়াট, ২০৩০ সালে এসডিজি গোল অর্জন করতে হলে আমাদের ৪০০০০ মেগাওয়াট দরকার এবং ২০৪১ সালে উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ হতে হলে আমাদের ৬০০০০ মেগাওয়াট দরকার। এবং আমরা সে লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। ২০০৯ সালে আমাদের বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ২৭টি, এই সরকারের আমলে এখন দেশে ১০৮টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র। এটাও আর একটি অ্যাচিভমেন্ট।

    আমাদের এখন প্রায় ১৬০০০ মেগাওয়াট ইন অপারেশন, নির্মানাধীন প্রায় ১০০০০ মেগাওয়াট এবং আরও পরিকল্পনায় রয়েছে। সব মিলিয়ে ২০২১ সালের মধ্যে আমাদের টার্গেট ২৪০০০ মেগাওয়াট থাকলেও ৩০০০০ মেগাওয়াটের টার্গেট নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি। আর আমাদের চাহিদা হলো মাত্র ২০০০০ মেগাওয়াট। অর্থাৎ চাহিদার তুলনায় বেশি পরিকল্পনায় রেখেছি।

    ‌দৈনিক আজকের দেশকন্ঠ: আমরা জানি যে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যাপক গ্যাসের ব্যবহার হয়। বিষয়টি যদি তাই হয় তাহলে আমাদের এই মূল্যবান প্রাকৃতিক সম্পদের ভবিষ্যত কতটুকু?

    মোহাম্মদ হোসাইন: আমাদের একটি বড় চ্যালেঞ্জ প্রাথমিক জ্বালানির প্রাপ্যতা। একসময় বলা হতো এই দেশ গ্যাসের উপরে ভাসে। সেই চিন্তা করে পুরো পাওয়ার সেক্টরটা ছিল গ্যাসের উপর নির্ভরশীল। ২০০৯ সালে যখন শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করে তখন ৯০ ভাগ উৎপাদন আসতো গ্যাস থেকে। আজকে সেটা কমে ৬০ ভাগে এসেছে। সামনে আরও কমে যাবে। আমারা টেকসই জ্বালানী মিশ্রন হিসেবে কয়লাকে প্রধান্য দিয়ে কাজ করছি।

    আমাদের যথেষ্ট কয়লার মজুদ রয়েছে। জায়গাগুলো উর্বরভূমি এলাকায় হওয়ায় খাদ্য নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে কয়লা আহরণ করছি না। আমাদের আপাতত আমদানিকৃত কয়লার উপর নির্ভর করে কয়লাভিত্তিক বড় বড় বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি।

    আমাদের রামপালে বাংলাদেশ ভারতের যৌথ উদ্যোগে ১৩২০ মেগাওয়াটের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বাস্তবায়ন চলছে। পায়রাতে আমাদের চীনের সাথে ১৩২০ মেগাওয়াটের আরও একটি প্রকল্পের কাজ চলছে। মাতারবাড়িতে জাপানের আর্থিক সয়াহতায় সেখানে ১২০০ মেগাওয়াটের প্রকল্পের কাজ চলছে। প্রাইভেট সেক্টরগুলোও বেশ কিছু কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র করছে। আমাদের আশঙ্কা কয়লা দিয়ে আমরা পুরোপুরি করতে পারবো না।

    ‌দৈনিক আজকের দেশকন্ঠ: বিদ্যুতের কয়েক ধাপ মূল্য বৃদ্ধির সম্মুখিন হয়েছি আমরা। জনজীবনে কোন বিরূপ প্রভাব পড়বে কিনা?

    মোহাম্মদ হোসাইন: আমাদের ভিশন সাশ্রয়ী মূল্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ করবো। এখন প্রশ্ন আসতে পারে দাম বাড়াচ্ছি সেটি কমিটমেন্টের বিচ্যুতি কিনা?  আমাদের বিদ্যুৎকে পণ্য হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। এখানে টাকার মানটা বিবেচনা করতে হবে। আমাদের সব কিছু বিবেচনা করে সমন্বয় করতে হয়। সরকার যখন কম মূল্যে বিদ্যুৎ দিত মানুষ অপচয় করতো। অফিস আদালত, বাসা বাড়িতে সারা দিন লাইট ফ্যান চালিয়ে রাখতো। এখন মানুষ অনেক অনেক সচেতন। বিদ্যুতে সরকার যে পরিমাণ টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে সেটি আপনার আমারই টাকা। আমি বিদ্যুৎ বিলের মাধ্যমে না দিয়ে ট্যাক্সের মাধ্যমে দিচ্ছি। সুতরাং টাকাটা যদি এই সরকার সাশ্রয় করতে পারে তাহলে অন্য উন্নয়নমূলক কাজে ব্যয় করতে পারবে।

    ‌দৈনিক আজকের দেশকন্ঠ: রামপালের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। সুন্দরবন নিয়ে অনেকে শঙ্কাও প্রকাশ করছেন কেউ কেউ। বিষয়টা আপনি কিভাবে দেখছেন?

    মোহাম্মদ হোসাইন: প্রথমেই বলবো এটা নিয়ে সবাই আশঙ্কামুক্ত থাকতে পারেন। আমরা ‍বিজ্ঞানসম্মতভাবেই পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে প্রকল্পটি করতে যাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রী জনগণকে কোনো ক্ষতি হবে না বলে আশ্বস্ত করেছেন, সেখানে আমি মনে করি আর শঙ্কার অবকাশ থাকতে পারে না।

    আমরা জায়গা নির্ধারণের জন্য গবেষণা করেছি। এটির জন্য অনেক জায়গার দরকার হয়। এছাড়া জায়গাটি কৃষি জমি কিনা, সেখানে জনবসতি আছে কিনা, কয়লা পরিবহনের ব্যবস্থা আছে কিনা, সর্বশেষ সেখানকার পরিবেশ কেমন। সব কিছু মিলিয়ে আমরা রামপালকে চয়েজ করি। দেশের ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করা হয়েছিল। এখান থেকে সেটি ৭০ কিলোমিটার দূরে। এবং সুন্দরবনের প্রান্তসীমা থেকে ২৪ কিলোমিটার দূরে।

    অন্যদেশেও এই ধরনের বিদ্যুৎ কেন্দ্র রয়েছে। রামপালে আমরা আল্ট্রাসুপটার ক্রিটিক্যাল টেকনোলজির ব্যবহার করছি। আমারা ক্লিন কোল্ড টেকনোলজিও ব্যবহার করছি। আমরা এরস্টিং সক্স, লোনক্স মার্নারের জন্য এরস্টিং নক্স, ইটিপি, ইএসপি ব্যবহার করবো। এগুলো কতটুকু প্রতিপালন সেগুলো দেখার জন্য মনিটরিং টুলস এর ব্যবস্থা করা হয়েছে। সুতরাং আশ্বস্ত করতে চাই সুন্দরবনের কোনো ক্ষতি হবে না।

    ‌দৈনিক আজকের দেশকন্ঠ: আপনি দীর্ঘদিন সুনামের সাথে চাকরি করে আসছেন। বর্তমানে আমরা যতটুকু জেনেছি আপনার এলাকার জনগণ আপনাকে অন্যভাবে প্রত্যাশা করে, জনপ্রতিনিধি হিসেবে দেখতে চায়। এ বিষয়ে আপনি কতটা আশাবাদি এবং আপনার এলাকার মানুষের জন্য কি করতে চান?

    মোহাম্মদ হোসাইন: আসলে আমরা আমাদের ব্যক্তি জীবনে যে যাই করি না কেন উদ্দেশ্য একটাই। সমাজের মানুষের সেবা করা।  এই রাষ্ট্র আমাকে অনেক কিছু দিয়েছে। আমার পড়াশুনার পেছনে বা আমার গড়ে ওঠার পেছনে আমার বাবা মায়ের খুব বেশি খরচ করতে হয় নি। সরকারি খরচেই পড়াশুনা শেষ করেছি। এই রাষ্ট্র আমাদের এত কিছু দিয়েছে, রাষ্ট্রও আমাদের কাছে কিছু প্রত্যাশা করে। সে কারণে আমি আমার নির্দিষ্ট গন্ডি থেকে আমার এলাকার মানুষের জন্য যথেষ্ট করার চেষ্টা করে যাচ্ছি। আগামীতেও নিজের অবস্থান থেকে করে যাবো।

    আজকাল রাজনীতি অনেক বিতর্কিত হয়ে গেছে। কিছু লোকের কারণে সাধারণ মানুষের ধারণা যে রাজনীতি করবে খারাপ মানুষ। আমাকে অনেক প্রশ্নের সম্মুখিন হতে হয় যে আপনি কেন রাজনীতিতে! অথচ রাজনীতি হচ্ছে জনসেবা করার বড় একটা মাধ্যম। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে বঙ্গবন্ধু কন্যা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয় নিয়ে দেশের মানুষের জন্য কাজ করছেন। আমাদের প্রধানমন্ত্রী নতুন করে আমাদের স্বপ্ন দেখিয়েছেন ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালে উন্নত দেশ হবে। ইতিমধ্যে সে স্বপ্নের অনেক প্রতিফলন আমরা দেখেছি। সে দিক থেকে সবার থেকে বড় অধিকার আমার এলাকার মানুষের আমার প্রতি। সুতরাং আমার এলাকার মানুষের জন্য কিছু করতে চাই যদি বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা সেই সুযোগ দেন।

    ‌দৈনিক আজকের দেশকন্ঠ: সরকারি চাকুরীজীবী থেকে রাজনীতিবিদ! বিষয়টাকে আপনি কিভাবে মূল্যায়ন করবেন?

    মোহাম্মদ হোসাইন: আমি যেটা অনুভব করি আমার শরীরে রাজনীতির রক্ত। মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে পারি নাই, কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের ঘটনা আমার স্মৃতিতে অম্লান হয়ে আছে। আমার বাড়িতে মুক্তিযোদ্ধারা দলবল সহকারে আসতেন। আমার মা রান্না করে দিতেন। ওখান থেকেই চেতনার শুরু। পরবর্তীতে ছাত্র জীবনে ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হই। আমি দশম শ্রেণিতে থাকা অবস্থায় ছাত্রলীগের প্রথম সদস্য পদ লাভ করি। পরবর্তীতে ১৯৮০ সালে ঢাকা কলেজে দক্ষিণ ছাত্রাবাসে ছাত্রলীগের আহ্বায়ক ছিলাম। তৎকালীন জেনারেল জিয়ার সন্ত্রাসী বাহিনী নিরু বাবলুর দ্বারা লাঞ্চিত হয়েছি। আমি বুয়েট ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ছিলাম। এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছি। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ফ্রিডম পার্টি ঠেকিয়েছি। ছাত্রজীবন শেষ করে পেশা জীবনেও রাজনীতি করেছি। বর্তমানে আমি বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের সহ-সভাপতি, পেশাজীবি সমন্বয় পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। আমি পারিবারিকভাবেই আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িত। আমার বাবা আমাদের ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ পারিবারিকভাবে ধারণ করেছি।

    ‌দৈনিক আজকের দেশকন্ঠ: সরকারের উন্নয়ন জনগণের নিকট পৌছাতে আপনার ভুমিকা কেমন?

    মোহাম্মদ হোসাইন: আমার নির্বাচনী এলাকা চাঁদপুর-৫ আসন। অর্থাৎ হাজীগঞ্জ ও শাহরাস্তি এই দুই এলাকার সমন্বয়ে আমাদের নির্বাচনী এলাকা। আমি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এলাকায় যাই। তখন সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড তুলে ধরি। অনেকে শুধুমাত্র বর্তমান উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরেন। এটা করলে হবে না, বর্তমান উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড তুলে ধরার পাশাপাশি আগের আমলের দুঃশাসনও মনে করিয়ে দেই। কারণ জনগণকে যেন সেই ভয়াবহ পরিস্থিতির সম্মুখিন আর কখনো হতে না হয়।

    Leave a comment

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০
    ১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
    ১৮১৯২০২১২২২৩২৪
    ২৫২৬২৭২৮২৯৩০  
    বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডে চাকরি
    বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডে চাকরি