• শিরোনাম

    তদন্তের অংশ হিসেবে তনুর বাবা-মাকে ঢাকায় আনা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    | ২২ নভেম্বর ২০১৭ | ১২:১৩ অপরাহ্ণ

    তদন্তের অংশ হিসেবে তনুর বাবা-মাকে ঢাকায় আনা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    তদন্তের অংশ হিসেবে তনুর বাবা-মাকে ঢাকায় আনা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    নিজস্ব প্রতিবেদক

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, কুমিল্লার ভিক্টোরিয়া কলেজের ছাত্রী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু হত্যারকাণ্ডের তদন্তের অংশ হিসেবেই তার বাবা-মাকে ঢাকায় আনা হয়েছে।তিনি বলেন, যে প্রশ্নটা আসছে-তনুর আত্মীয়স্বজনকে কেন ঢাকায় নিয়ে আসা হয়েছে-এটা একটা তদন্তের অংশ। তদন্ত চলছে। আমি মনে করি, তদন্তে সত্যিকারের ঘটনা উদ্‌ঘাটিত হবে।

    বুধবার ( ২২ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকায় সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন উপলক্ষে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    webnewsdesign.com

    কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনুর পরিবারকে তলব করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। বুধবার সিআইডির সদর দপ্তরে তদন্ত–সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মুখোমুখি হওয়ার কথা পরিবারের পাঁচ সদস্যের।

    সাংবাদিক উৎপল দাস ও নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মুবাশ্বার হোসেন সিজারের নিখোঁজের ব্যাপারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আরও যে দুই জন হারিয়ে গেছে আমাদের গোয়েন্দারা কাজ করছেন, আশা করি তারা দ্রুত উদ্ধার হবেন।

    ‍উল্লেখ্য, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী ও নাট্যকর্মী তনু গত বছরের ২০ মার্চ কুমিল্লা সেনানিবাসের অলিপুরের ১২ ইঞ্জিনিয়ার্স ব্যাটালিয়নের কোয়ার্টারে সার্জেন্ট জাহিদুজ্জামানের মেয়েকে প্রাইভেট পড়াতে যান। রাতে অলিপুরে পাওয়ার হাউসের জঙ্গলে তাঁর লাশ পাওয়া যায়। তাঁর বাবা কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের অফিস সহকারী ইয়ার হোসেন এ ঘটনায় ২১ মার্চ কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন।

    ওই দিন তনুর মরদেহের প্রথম ময়নাতদন্ত করে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগ। ৪ এপ্রিল সেই প্রতিবেদন দেয়া হয়। শুরু থেকেই ধর্ষণের সন্দেহ করা হলেও ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, মৃত্যুর কারণ অজ্ঞাত, ধর্ষণের আলামতও মেলেনি। এ নিয়ে তখন দেশজুড়ে বিতর্ক ওঠে। তবে প্রথম ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের আগেই আদালতের নির্দেশে ওই বছরের ৩০ মার্চ লাশ উত্তোলন করে তনুর দ্বিতীয় দফা ময়নাতদন্ত করা হয়। একই সঙ্গে আদালতের নির্দেশে তনুর পরনের কাপড়সহ সাতটি আলামত ডিএনএ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। তাই দীর্ঘ ২০ মাসেও তনু হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে না পারায় মেয়ে হত্যার বিচার পাওয়া নিয়ে তনুর পরিবারসহ সচেতন মহলে সংশয় দেখা দিয়েছে।

    তনুর মা আনোয়ারা বেগম বলেন, বারবার জিজ্ঞাসাবাদের নামে সময়ক্ষেপণ ও আমাদের হয়রানি করা হচ্ছে। সোমবার কুমিল্লা সিআইডি অফিস থেকে একটি চিঠি দেয়া হয়েছে, আমি, আমার স্বামী, দুই ছেলে ও তনুর চাচাতো বোন লাইজুকে নিয়ে ঢাকায় সিআইডি অফিসে যেতে। মেয়ে হত্যার বিচারের আশায় যেখানে বলে সেখানেই যাব। তিনি বলেন, আমি শুরুতে যাদের নাম বলেছি, বারবার এক কথাই বলে আসছি। যাদের ধরতে বলেছি, তাদের ধরলেই সব কিছু খোলাসা হয়ে যাবে।

    Leave a comment

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫
    ১৬১৭১৮১৯২০২১২২
    ২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
    ৩০৩১  
    হাজীগঞ্জে ছোট বোনের হাতে বড় বোন খুন
    হাজীগঞ্জে ছোট বোনের হাতে বড় বোন খুন