• শিরোনাম

    টিউশনি বন্ধ হয়ে বিপাকে কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষকরা

    নিজস্ব প্রতিনিধি | ২৬ জুলাই ২০২০ | ৭:১৬ পূর্বাহ্ণ

    টিউশনি বন্ধ হয়ে বিপাকে কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষকরা

     

    করোনা মহামারিতে দারুণ অনিশ্চয়তায় কিন্ডারগার্টেন স্কুলগুলো। দীর্ঘ বন্ধের কারণে অনিয়মিত বেতন আর টিউশনি বন্ধ হয়ে বিপাকে শিক্ষকরা। অনিশ্চয়তায় বন্ধের পথে অনেক প্রতিষ্ঠান। দুর্যোগকাল অতিক্রম করার জন্য স্বল্প সুদে ঋণ সুবিধা চেয়েছে কিন্ডারগার্টেনগুলো।

    বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে মন্ত্রণালয়ের করার কিছু নেই জানিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী, বিষয়টি ভেবে দেখার কথা বলেন। কচি কণ্ঠে মুখরিত থাকা দেশের কিন্ডারগার্টেন স্কুলগুলোর আঙ্গিনায় এখন সুনসান নীরবতা। মাকড়সার জালের মতোই অনিশ্চয়তার জালে বন্দি প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ। প্রায় চার মাস ধরে বন্ধ থাকায় শ্রেণি কক্ষে জমেছে ধুলার আস্তর। কবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে জানা নেই কারো। করোনার কারণে গত ১৭ মার্চ থেকে অনিশ্চিত জীবন কাটাচ্ছেন দেশের ছোট-বড় ৬০ হাজার কিন্ডারগার্টেনের ১২ লাখ শিক্ষক কর্মচারী।

    কাউন্দিয়া মডেল স্কুলের শিক্ষক মোহাম্মদ আলাউদ্দিন জানান, যেহেতু ক্লাস চলছে না তাই টিউশন ফি দিচ্ছে না। আমরা চাইতে পারছি না। আর প্রাইভেট টিউশন দেয়াও বন্ধ আছে।

    কেন্দ্রীয় শিক্ষক সচিব বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ঐক্য পরিষদ মোহাম্মদ আব্দুল অদুদ বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয় প্রতিবছর। তো একই কাজ আমরা করছি, এখানে ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক, ও প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও বেশি। যেহেতু আমরা একি কাজ করি একটা বিপদের সময় আমরা এই সুযোগটা পেতে পারি।

    পরিস্থিতি মোকাবিলায় শিক্ষা উদ্যোক্তা ঘোষণা ও স্বল্প সুদে ঋণের দাবি জানিয়েছেন কিন্ডারগার্টেন স্কুলের বিভিন্ন সংগঠন।

    বঙ্গবন্ধু কিন্ডারগার্ডেনের স্কুল অ্যান্ড কলেজ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক লায়ন হরেরাম দাস জানান, প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের একটি অনুরোধ থাকবে যারা প্রাইভেট স্কুল প্রতিষ্ঠা করছে তাদেরকে শিক্ষা উদ্যোক্তা ঘোষণা করা হোক এবং বিনা সুদে অথবা অল্প সুদে খুব কম শর্তে তাদের যেন ঋণ দেয়া হয়। অনেক স্কুল তাদের ফান্ড থেকে শিক্ষকদের বেতন পরিশোধ করে এলেও এখন তা কঠিন হয়ে পরেছে।

    প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেন, মালিকরা তো বেতন নিচ্ছে স্টুডেন্টদের কাছ থেকে, তবে বেতন দেয় না কেন? আমাদের জানামতে আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে কিছু করণীয় নেই। অনিবন্ধিত স্কুলগুলোর বেহাল দশার বিষয়টি ভেবে দেখার আশ্বাস দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী।

    করোনাকালে ভবিষ্যৎ নাগরিক গড়ার কারিগর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষকদের সহায়তায় সরকারের বাড়তি মনোযোগ জরুরি বলে মনে করেন শিক্ষাবিদরা।

    Leave a comment

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
    ১০১১১২১৩১৪
    ১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
    ২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
    ২৯৩০৩১  
    বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডে চাকরি
    বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডে চাকরি