• শিরোনাম

    চট্টগ্রামে ৪ নারী ধর্ষণ: পুলিশের ব্যর্থতা স্বীকার

    | ২৫ ডিসেম্বর ২০১৭ | ১০:৪১ পূর্বাহ্ণ

    চট্টগ্রামে ৪ নারী ধর্ষণ: পুলিশের ব্যর্থতা স্বীকার

    চট্টগ্রামে ৪ নারী ধর্ষণ: পুলিশের ব্যর্থতা স্বীকার

    চট্টগ্রাম ব্যুরো

    চট্টগ্রামের কর্ণফুলী থানা এলাকায় একটি বাড়িতে ডাকাতি করতে গিয়ে একই পরিবারের চার নারী ধর্ষণের ঘটনায় মামলা গ্রহণ ও দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার ক্ষেত্রে ব্যর্থতা স্বীকার করেছে পুলিশ।সোমবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুরে নগর পুলিশের কর্ণফুলী থানায় অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ব্যর্থতা স্বীকার করেন নগর পুলিশের উপকমিশনার (বন্দর) হারুন-উর-রশিদ হাযারী।

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (বন্দর) জাহেদুল ইসলাম, অতিরিক্ত সহকারী কমিশনার আরেফিন জুয়েল, কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সৈয়দুল মোস্তফা, পরিদর্শক (তদন্ত) হাসান ইমাম।

    webnewsdesign.com

    হারুন-উর-রশিদ হাযারী বলেন, ‘ঘটনা জানতে পুলিশের একটু দেরি হয়েছিল। কিন্তু বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।’

    ঘটনার পাঁচ দিন পর মামলার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিএমপি উপ কমিশনার বলেন, ভিকটিমরা কিছু তথ্য ভুল দেয়ায় মামলা নিতে দেরি হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তার হওয়া মোহাম্মদ সুমন ওরফে আবুকে ভিকটিমরা শনাক্তও করেছে।

    আসামিদের কেন রিমান্ডে নেয়া হচ্ছে না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা টেস্ট আইডেন্টিফিকেশন (টিআই) প্যারেডকে গুরুত্ব দিচ্ছি। রিমান্ডে নিলে টিআই প্যারেডের গুরুত্ব কমে যাবে। গ্রেপ্তার আবুর সঙ্গে ভিকটিমদের অনেক তথ্যের মিল পাওয়া গেছে।’

    এ ঘটনায় ওসির গাফিলতির বিষয়ে হারুন-উর-রশিদ হাযারী বলেন, এ বিষয়ে সিএমপি কমিশনারের সঙ্গে আলোচনা করে তদন্ত করা হবে। গাফিলতি পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে পুলিশি সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    হাযারী বলেন, ঘটনাটি যে রাতে ঘটে এরপর ওই ঘটনায় মামলা গ্রহণ এবং পুলিশের দ্রুত সাড়া দেয়ার ক্ষেত্রে আংশিক ব্যর্থতা ছিল। এটা অস্বীকার করার উপায় নেই। স্পর্শকাতর বিষয় হিসেবে এই ঘটনাকে আরো বেশি গুরুত্ব দেয়া উচিত ছিল।

    উপকমিশনার আরো বলেন, এ ব্যাপারে কর্ণফুলী থানার ওসির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার বিষয়টি পুলিশ কমিশনার মহোদয়কে জানানো হবে। পুলিশ কমিশনার পরবর্তী ব্যবস্থা নেবেন।

    উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর গভীর রাতে কর্ণফুলী থানা এলাকায় একটি বাড়িতে ডাকাতি করতে গিয়ে ডাকাতরা একই পরিবারের তিন পুত্রবধূ ও এক কন্যাকে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় থানায় মামলা করতে গেলেও পুলিশ মামলা গ্রহণ করতে গড়িমসি করে। পরবর্তীতে স্থানীয় সাংসদ ও ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের হস্তক্ষেপে পুলিশ এক সপ্তাহ পর মামলা গ্রহণ করেন।

    Leave a comment

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০  
    হাজীগঞ্জে ছোট বোনের হাতে বড় বোন খুন
    হাজীগঞ্জে ছোট বোনের হাতে বড় বোন খুন