• শিরোনাম

    কিয়ামতের দিন মুয়াজ্জিনের মাথা সবার উপরে থাকবে

    | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭ | ৫:৫২ অপরাহ্ণ

    কিয়ামতের দিন মুয়াজ্জিনের মাথা সবার উপরে থাকবে

    ধর্ম ডেস্ক ॥ ঈমান আনার পর মুমিনের জন্য সর্বোত্তম ইবাদত হলো নামাজ। আর নামাজের জন্য ডাকা হয় আজানের মাধ্যমে। আজান আরবি শব্দ। আজান শব্দের অর্থ ডাকা, ঘোষণা করা, আহবান করা। ইসলামি শরিয়তের পরিভাষায় জামাআতের সহিত নামাজ আদায় করার লক্ষ্যে মানুষকে মসজিদে একত্রিত করার জন্য আরবি নির্দিষ্ট শব্দ ও বাক্যের মাধ্যমে উচ্চকণ্ঠে ডাক দেয়া বা ঘোষণা করাকেই আজান বলা হয়। আর যিনি এ আজান দেন তাঁকে মুয়াজ্জিন বলা হয়।

    মুয়াজ্জিনের জন্য রয়েছে অনেক মহান মর্যাদা। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আজান প্রদানকারীর অসামান্য ফজিলত ঘোষণা করেছেন। হাদিসে ঘোষিত মুয়াজ্জিনের আজান দেয়ার বরকত ও ফজিলত তুলে ধরা হলো-

    আজান উচ্চ শব্দে হওয়া বিধি সম্মত, কেননা মুয়াজিনের আজানের শব্দ যত দূর যাবে ততদূরের মধ্যে যে কোন মানুষ, জিন বা যে কোনো বস্তু এ শব্দগুলো শুনবে কিয়ামতের দিন এগুলো তার জন্য সাক্ষ্য দিবে।
    হজরত মুআবিয়া ইবনে আবু সুফিয়ান রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, ‘কিয়ামাতের দিন সবচেয়ে বেশি উঁচু গর্দান হবে মুয়াজ্জিনদের।’ (সহিহ মুসলিম)

    webnewsdesign.com

    মুয়াজ্জিনের শব্দ যতদূর যাবে ততদূর পর্যন্ত তাকে ক্ষমা করে দেয়া হবে। যে কোনো জীব ও জড় পদার্থ তার শব্দ শুনবে; তাকে (মুয়াজ্জিনকে) সমর্থন দেবে বা সত্যায়িত করবে। যত মানুষ মুয়াজ্জিনের আজানের দ্বারা নামাজ পড়বে, তাদের সকলের সমপরিমাণ সওয়াব মুয়াজ্জিনেরও হবে।
    হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘যদি মানুষ জানত আজানে ও নামাজের প্রথম সারিতে কি আছে? লটারী ছাড়া তা অর্জন সম্ভব নয়। তাহলে ঐ ব্যক্তি লটারী করে হলেও তা অর্জনের চেষ্টা করত।’ (সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম)

    Leave a comment

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
    ১০১১১২১৩১৪
    ১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
    ২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
    ২৯৩০৩১  
    রামগঞ্জে আজহারীর মাহফিলে ধর্মান্তরিত সেই ১১ জন আটক
    রামগঞ্জে আজহারীর মাহফিলে ধর্মান্তরিত সেই ১১ জন আটক