• শিরোনাম

    কালভার্ট আছে সংযোগ সড়ক নেই

    | ১১ ডিসেম্বর ২০১৭ | ১১:৩৯ পূর্বাহ্ণ

    কালভার্ট আছে সংযোগ সড়ক নেই

    ভোগান্তিতে পাঁচ হাজারের বেশি মানুষ

    কালভার্ট আছে সংযোগ সড়ক নেই

    জেলা প্রতিনিধি গাইবান্ধা

    গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় বোনারপাড়া-মহিমাগঞ্জ সড়কের পাশে কচুয়া ইউনিয়নের অনন্তপুর (কাদের আলীর দহ) গ্রামে একটি সেতুর পশ্চিম পাশের সংযোগ সড়ক চলতি বছরের বন্যায় ভেঙে গেছে। একই সঙ্গে পূর্বপাশেও সংযোগ সড়কের কিছু অংশ ধসে গেছে।

    পরে যাতায়াতের সুবিধার্থে সেই ভাঙা স্থানে গ্রামের মানুষ নিজেদের অর্থে একটি বাঁশের সাঁকো তৈরি করেছেন। প্রতিদিন এ সাঁকোটির ওপর দিয়ে পাঁচ হাজারেরও বেশি মানুষ ও স্কুল-কলেজগামী ছাত্র-ছাত্রীরা পারাপার হয়। এখন সেই বাঁশের সাঁকোটিও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। ফলে তাদেরকে এখন চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

    webnewsdesign.com

    কচুয়া ইউপি চেয়ারম্যান ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বোনারপাড়া-মহিমাগঞ্জ সড়কের পাশে গত বছর এ সেঁতুটির নির্মাণকাজ শেষ হলে মানুষ যাতায়াত শুরু করে। প্রতিদিন এ সেঁতু ও বাঁশের সাঁকোর ওপর দিয়ে অনন্তপুর, গাছাবাড়ী ও বুরুঙ্গি গ্রামের পাঁচ হাজারেরও বেশি মানুষ চলাচল করে।

    সম্প্রতি গাইবান্ধা জেলা শহর থেকে প্রায় ২২ কিলোমিটার দূরে ওই সেতুস্থানে গিয়ে দেখা গেছে, সেতুর পূর্বপাশের সংযোগ সড়কের মাটি ধসে গেছে ও পশ্চিমপাশের সংযোগ সড়কের মাটি ভেঙে গেছে। ভাঙা স্থানে পানি জমে আছে। পুরুষ-মহিলা ও শিশুরা বাঁশের সাঁকোটির ওপর দিয়ে পারাপার হচ্ছে। চালকরা সাঁকোটির পাশে রিকশা-ভ্যান রেখে বাড়িতে যাচ্ছে। অভিভাবকরা শিশুদের হাত ধরে পার করে দিচ্ছেন। বস্তা ঘাড়ে নিয়ে পার হচ্ছেন এক ব্যক্তি।

    অনন্তপুর গ্রামের কলেজছাত্র সাব্বির মিয়া (২১) বলেন, বন্যায় সেতুটির সংযোগ সড়ক ভেঙে যাওয়ায় কষ্ট করে চলাচল করতে হচ্ছে। সাইকেল পারাপার করতে অন্যের সাহায্য নিতে হচ্ছে।

    একই গ্রামে রিকসাচালক সেলিম মিয়া (৩২) বলেন, আগে রিকসাচালিয়ে রিকসাটি বাড়িতে রাখতাম। নিশ্চিন্তে থাকতাম। কিন্তু এখন সেতুর সংযোগ সড়ক ভেঙে যাওয়ায় সেটি অন্যের বাড়ির উঠানে রাখতে হচ্ছে। কখন যে সেটি হারিয়ে যায় সেই দুশ্চিন্তায় থাকি।

    সাঁকোটির পাশের দোকানদার আব্দুল আজিজ (৭১) বলেন, সাঁকোটির পূর্বপাশে একটি স্কুল ও মসজিদ আছে। প্রতিদিন সাঁকোটি দিয়ে পশ্চিম ও পূর্ব পাশের পাঁচ হাজারেরও বেশি মানুষ ও ছাত্রছাত্রী চলাচল করে। তারা বোনারপাড়া ও মহিমাগঞ্জ বাজারে চলাচল করে। খুব দ্রুত এ সেতুর সংযোগ সড়কে মাটি দিয়ে ভরাট করা দরকার।

    কচুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান মুঠোফোনে বলেন, আপাতত কোনো বরাদ্দ না থাকায় সেটি মেরামত করা যাচ্ছে না। পরে ভেঙে যাওয়া ওই অংশে মাটি ভরাট করা হবে। বিষয়টি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে।

    সাঘাটা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিঠুন কুন্ডু মুঠোফোনে বলেন, চলতি বন্যায় এ উপজেলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অনন্তপুর গ্রামের এ সাঁকোটির সংযোগ সড়কের ভাঙা অংশে মাটি ভরাট কাজ ৪০ দিনের কর্মসূচির তালিকায় আছে। বাজেট পাওয়া গেলে শুকনো মৌসুমে কাজ শুরু করা হবে।

    Leave a comment

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫
    ১৬১৭১৮১৯২০২১২২
    ২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
    ৩০৩১  
    দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও যাচ্ছে মতলবের ক্ষীর
    দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও যাচ্ছে মতলবের ক্ষীর