• শিরোনাম

    আসুন চিকিৎসার জন্য অসহায়দের পাশে দাড়াই, আপনার একটু সহযোগীতায় হয়ে যাবে চিকিৎসার খরচ

    | ২২ অক্টোবর ২০১৭ | ৬:১৫ পূর্বাহ্ণ

    আসুন চিকিৎসার জন্য অসহায়দের পাশে দাড়াই, আপনার একটু সহযোগীতায় হয়ে যাবে চিকিৎসার খরচ

    আসুন চিকিৎসার জন্য অসহায়দের পাশে দাড়াই, আপনার একটু সহযোগীতায় হয়ে যাবে চিকিৎসার খরচ

    বিরোল রোগে আক্রান্ত বাংলাদেশের প্রথম ও বিশে^র তৃতীয়
    করিও কারসোনিয়াম রোগে আক্রান্ত হাজীগঞ্জের শিপা
    ডেক্স রিপোর্ট॥


    নাশিম আনজুমা শিপা (১২)। তার সহপাঠিরা চাঁদা তুলে মসজিদে দান করেছে। শিপাকে আল্লাহ যেন ভালো করে দেন। শিপা হাজীগঞ্জ বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। রোল নং ৭৮। সে হাজীগঞ্জ পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ড মকিমাবাদ কাঁশারী বাড়ীর মিজানুর রহমানের ছোট মেয়ে। দুই মাস পড়া-লেখা বন্ধ। স্কুলে যাওয়া হচ্ছে না। কিভাবে আর যাবে? সে যে বিশ্বের তৃতীয় রোগী। রোগের নাম করিও কারসোনিয়াম। বাংলায় নতুন ধরণের ক্যান্সার বলে আখ্যা দিয়েছেন চিকিৎসকরা। এমন ক্যান্সার এর পূর্বে চীনের দুইজনের ধরা পড়েছিল। একজন কেমো থ্যারাপি দেয়ার সময় মারা গেছেন, আরেকজন কেমো থ্যারাপি দেয়ার দুইদিন পর মারা গেছেন। সেই কথা শুনে আর কি মানে জন্মদাতা আর জন্মধারীণীর হৃদয়। কেমো থ্যারাপি না দিয়ে এখন শিপাকে বাসায় এনে রেখেছেন। চিকিৎসকরা বলেছেন, তাকে সু-নিবিড় ভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য মহাখালি ক্যান্সার হাসপাতালে ভর্তি করে রাখা যেতে পারে। কিন্তু নিরুপায় মা-বাবার সাধ্যমত সব শেষ করেছে। এখন আর সাধ্য নেই চিকিৎসা খরচ চালানো।
    সরজমিনে গিয়ে জানা গেছে, শিপার সর্বশেষ চিকিৎসা নিয়েছে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে ইন্ডিয়া থেকে একদল বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে একটি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এসে শিপার নতুন ধরণের এই ক্যান্সার নিয়ে পর্যালোচনা করেছেন।
    গত সোমবার কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে মানবসমাজ পত্রিকার সহ-সম্পাদক গাজী মো. নাছির উদ্দিন কথা বলেছেন গাইনী বিভাগের প্রধান শাহেলা বেগমের সাথে। তিনি জানিয়েছেন, শিপার সর্বশেষ চিকিৎসা কেমো থ্যারাপি করিয়ে দেখতে পারে। তবে কেমো থ্যারাপি দিলেও শিপাকে বাঁচানো সম্ভব হয়ে উঠবে না। শিপা বিশ্বের তৃতীয় রোগী। এর পূর্বে চীনে দুইজন পাওয়া গিয়েছিল। তাদের বাঁচানো সম্ভব হয়নি। শিপা যতদিন বাঁচবে তাকে মহাখালি ক্যান্সার হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা দেয়া ভালো।
    শিপার বাবা মিজানুর রহমান হাজীগঞ্জ বড় মসজিদের স্টাফ হিসেবে কর্মরত। গত দুই মাস ধরে মেয়ের চিকিৎসার জন্য ব্যস্ত থাকায় কর্মেও যেতে পারছেন না। মঙ্গলবার দুপুরে শিপার বাড়ীতে গিয়ে জানতে চাইলে তার বাবা মিজানুর রহমান বলেন, ‘ঈদুল ফিতরের পর শিপার প্রথম পেট ব্যাথা অনুভব হয়। ঈদুল আযহার কয়েকদিন পর তার পেট বড় হতে থাকে। প্রচন্ড ব্যাথার যন্ত্রণায় কাঁতরাতে থাকে মেয়েটি। হাজীগঞ্জ বাজারের তিনটি হাসপাতালে নিয়ে অনেক পরীক্ষা করেও রোগ নির্ণয় করা যায়নি। পরে চাঁদপুরের একটি প্রাইভেট হাসপাতালে দেখানোর পর টিউমারের কথা বলেছে। কুমিল্লা মেডিকেলে নেয়ার পর ওই টিউমারে ক্যান্সার রূপান্তরিত হয়েছে বলে চিকিৎসকরা বলেন। তিনি আরো বলেন, ‘আমার মেয়েকে কিভাবে বাঁচাবো। সবাই দোয়া করবেন। আমার তেমন টাকা-পয়সাও নেই। মেয়ের পেট বড় হয়ে এখন পুতার মতো বুকের দিকে ছড়িয়ে গেছে। ২ অক্টোবর কুমিল্লা মেডিকেলে ভর্তি করেছি। এখন অর্থের অভাবে ঢাকায় না নিয়ে বাড়ীতে নিয়ে এসেছি। কোন উপায়ন্ত পাচ্ছি না। শিপার বাবা মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, শিপার জন্য আমি সকলের সহযোগীতা চাই। আর শিপাকে সাহায্য পাঠানোর জন্য প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন। বাবা মিজানুর রহমান- ০১৮১৫৪২৬৪৭৪, এনসিসি ব্যাংক একাউন্ট ০৩২৫০০০১৫১/ যমুনা ব্যাংক একাউন্ট ১০৪০৩২০০০০০২৫/ বিকাশ- ০১৭১৪ ৪৭০২১২।
    শিপার সহপাঠি শাহনাজ আক্তার বলেন, ‘শিপা দুই মাস বিদ্যালয়ে যেতে পারছে না। আমি কয়েক বান্ধবী মিলে কিছু টাকা মসজিদে দান করেছি। শিপা যেন এমন কঠিন রোগ থেকে সুস্থ্য হয়ে আমাদের সাথে আসতে পারে।

    webnewsdesign.com

     

    হাজীগঞ্জে শ্রেণি শিক্ষিকার চেষ্টায় চিকিৎসার সুযোগ পাচ্ছে অসুস্থ শিক্ষার্থী
    নিজস্ব প্রতিবেদক॥


    হাজীগঞ্জ উপজেলার প্যারাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সুলতানা রাজিয়া। তিনি ঐ স্কুলের ৫ম শ্রেণিশিক্ষক। খাদিজা আক্তার এই বিদ্যালয়ের নিয়মিত শিক্ষার্থী। হঠাৎ করে কয়েক দিন যাবৎ তার অনুপস্থিতি টের পেলো সুলতানা রাজিয়া। খোজ নিয়ে জানলো সে অসুস্থ।
    ঐ দিন বিকালে খাদিজা আক্তারের বাড়ীতে হাজির হলো সে। খাদিজার মা তাকে ডেকে আনলেন। তার পাশে বসলো খাদিজা। নিস্তব্ধ খাদিজা। তার মাঝে নেই কোলাহল। নেই আনন্দঘন কোন ক্ষণ। আর কখনও দরস্তপনা শিশু-কিশোরের মতো ফিরবে কিনা খাদিজা? কারণ তার জন্মদাতা বাবা আর জন্মধারীণী মায়ের যে সাধ্য নেই। খাদিজার চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন ব্যায়-বহুল অর্থের। সে থেকে ঐ শিক্ষিকা নিজ উদ্যোগে শুরু করল খাদিজার চিকিৎসার জন্য চেষ্টা । যোগাযোগ করা শুরু করল শিক্ষক সমিতি সহ বিভিন্ন স্থানে। ইতি মধ্যে রাজিয়া সুলতানা ফেসবুকের মাধ্যমে তা ছড়িয়ে দেয়ায় আমেরিকা প্রবাসী ও ঐ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান রোটা. মো. মামুনুর রহমান মজুমদার তার সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে এবং তার চিকিৎসার সকল দায়িত্ব নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
    এই জোগানের জন্য ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছেন খাদিজার স্কুল শিক্ষকসহ উপজেলা শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ। যদি অর্থের জোগান না হয় মেয়েটি স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরার সম্ভাবনা কম।
    মেয়েটির মাথায় যেই রোগটি হয়েছে, তা চিকিৎসক বলছেন ব্রেনের নার্ভ (ক্যান্সার। যাকে বলা হয় – মাথার পেছনের রগ শুকিয়ে যাচ্ছে।খাদিজা আক্তার হাজীগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের প্যারাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সে ওই ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ড মৈশাইদ গ্রামের মিজি বাড়ীর ইয়াছিনের কন্যা। যখন মাথা ব্যাথা শুরু হয়, তখন আর ঘরে থাকতে চায় না খাদিজা। ছুটে চলে দিক-বেদিক। মাথা ব্যাথার যন্ত্রণায় খাদিজার বুক ধড়পড় করে। একটু শান্তির জন্য খাদিজার চটপট ব্যাকুলতা দেখে চোখের জল ঝরে মা-বাবাসহ প্রতিবেশীর। শিক্ষার্থীর পাশে শিক্ষক। শিক্ষকের পাশে শিক্ষার্থী। এই হলো সুশিক্ষার প্রয়াস। হয়তো ঐ শিক্ষক রাজিয়া সুলতানা প্রানপন চেষ্টায় বেঁচে যেতে পারে খাদিজা। খাদিজার জন্য প্রয়োজন আর্থিক সাহায্য। প্রয়োজনে বিকাশ- ০১৭৪৮০৪৫১৬৭।

     

    বিরল রোগে আক্রান্ত সোলাইমান
    হুমায়ুন কবির॥

    হাজীগঞ্জ আহমাদিয়া কামিল মাদ্রাসার বিএসসি মো. শাহ জাহান স্যারের দৃষ্টি পড়ে বিরল রোগে আক্রান্ত সোলাইমান। বয়স আনুমানিক ২৫। সে চাঁদপুর সদর উপজেলার চতন্তর গ্রামের গ্রামের কৃষক আব্দুল হালিমের চেলে। আর আব্দুল হামিমের দাম্পত্য জীবনে দুই ছেলে ৩ সন্তানের জনক। তার ৫ সন্তানের মধ্যে সোলাইমান হলো সবার ছোট। আর ছোট ছেলে সোলাইমান প্রায় জন্মের পর থেকে এ বিরল রোগে আক্রান্ত হয়ে বর্তমানে জেলার বিভিন্ন স্থানে গিয়ে মানুষের কাছে চিকিৎসার জন্য সাহায্য চাচ্ছে।
    সোলাইমানের বাবা আব্দুল হালিম জানান, জন্মের প্রথম দেড় বছর যাবত ভালোই ছিল সোলাইমান। কিছুদিন পর সোলাইমানের দু পায়ে একটি ছোট মার্বেলের মতো গোটা দেখা দেয়। এরপর থেকে তা বাড়তে থাকে। সাথে চলে স্থানীয় চিকিৎসা নিতে থাকি। কিন্তু আস্তে আস্তে তা দু পায়ে বাড়তে থাকলে এক পর্যায় আমরা তার চিকিৎসা করতে পারবো না বলে ভেঙ্গে পড়ি। এ সময় স্থানীয় ডাক্তার ও কবিরাজের বিভিন্ন চিকিৎসা নেয়ার পরও কোনো উন্নতি না দেখে আর কোনো চিকিৎসকের কাছে যাইনি। আর আস্তে আস্তে সোলাইমানও বড় হতে থাকে। সোলাইমানের দু পা দিন দিন যখন মাংস বাড়তে থাকলে সে অসুস্থ্য হয়ে পড়ে।
    আক্রান্ত দু পা তার দেহের সব অঙ্গের চেয়েও ভারী হয়ে উঠেছে। ভেতরে পোকা জন্মেছে। বিকট যন্ত্রণায় সোলাইমান সব সময় অস্থির। ডাক্তার বলছেন এ ব্যাধি তার দেহের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ছে।
    বিরল রোগে আক্রান্ত সোলাইমান জানান, আমার পায়ের রোগটি আস্তে আস্তে সারাদেহে রোগ ছড়িয়ে পড়েছে। তার শরীর দু পা ভারী হয়ে যাচ্ছে। দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে দেকিয়েছি । কেউ কোনো সঠিক চিকিৎসা দিতে পারেননি। রোগের মাত্রা শুধু বেড়েই চলেছে।
    সোলাইমানের বাবা জানান, ছেলের চিকিৎসার জন্য অনেক হাসপাতালে গিয়েছি। এখন সর্বশান্ত হয়ে পড়েছি। সঠিক চিকিৎসা পাইনি। তবে ডাক্তার বলছেন রোগটি বিরল হলেও বাংলাদেশে এর চিকিৎসা রয়েছে। বাংলাদেশে বৃক্ষমানবের সফল চিকিৎসা হয়েছে বলেও জানান ডাক্তার। তাই তিনি আবেগজড়িত কণ্ঠে বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এ পর্যন্ত অনেকেরই চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছেন। আমি এক অসহায় কৃষক, আমার ছেলের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলে আমি কৃতজ্ঞ থাকবো।
    এ ছাড়াও আমি দেশের সকলের কাছে আমার ছেলের চিকিৎসার জন্য সহযোগীতা চাই।

     

    অর্থের অভাবে নিভে যেতে পারে ক্যান্সার আক্রান্ত আলী শরিফের
    নিজস্ব প্রতিবেদক॥
    এক সময় বাবার সবই ছিল তখন বন্ধু-বান্ধবেরও কোন কমতি ছিল না। সংসার জীবনে ভাটা পড়ার কারনে বন্ধুমহলের ছেড়ে চাকরি নিল ফার্মেসীতে। বুঝতে পারেনি বন্ধুদের ছেড়ে হঠাৎকরে সংসারের হাল ধরতে হবে। এমন নানা চিন্তা-চেতনায় হয়তো মাথায় আজ মরনব্যাধি টিউমার ধরা পড়েছে। বর্তমানে ঢাকা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বেডে শুয়ে কাদছে ক্যান্সার আক্রান্ত যুবক মোহাম্মদ আলী শরিফ (২৮)।
    জানা যায়, হাজীগঞ্জ ভিক্টোরিয়া ক্লাবেক সদস্য ও মধ্যবাজারের মেডিসিন কর্ণারের কর্মরত ষ্ট্রাফ মোহাম্মদ আলী শরিফ গত এক মাস ধরে মাথা টিউমার নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। তার গ্রামের বাড়ী ফরিদগঞ্জ উপজেলার সুবিদপুর পূর্ব ইউনিয়নের মনতলা মিজি বাড়ীর আলতাফ হোসেনের ছেলে। বাবার নগদ অর্থ কিংবা কোন সম্পদ না থাকায় চিকিৎসার খরচ চালানো সম্ভব হয়ে উঠছে না। হাজীগঞ্জ বাজারের ডিগ্রি কলেজ রোডে ভিক্টোরিয়া ক্লাবেক সদস্য বন্ধুরা মিলে কিছু অর্থ যোগাড় করে পাঠায়। কিন্তু তার টিউমার অপারেশন করতে খরচ লাগবে প্রায় দুই লক্ষ টাকা।
    ঢাকা বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরো সার্জারী বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. কে এম তরিকুল ইসলাম জানিয়েছেন অতি দ্রত টিউমার অপারেশন করতে হবে এ ছাড়া কোন উপায় নেই। গত এক মাস ধরে উক্ত হাসপাতালের ১৭নং ওয়ার্ড এ ভর্তি রয়েছে যুবক শরিফ। পাশে ভাই সুমন দেখাশুনার দায়িত্বে রয়েছেন।
    শরিফ বলেন, আমি বাচঁতে চাই, আমাকে বাচাঁন। এ সুন্দর পৃথিবী ছেড়ে এতো তাড়াতাড়ি মরতে চাই না।
    শরিফের বাবা আলতাফ হোসেন ও মা শাহানারা বেগম সন্তানকে বাচাঁতে দেশবাসী ও সরকারী এবং এনজিও সংস্থার সহযোগিতা কামনা করেন। এদিকে হাজীগঞ্জ ভিক্টোরিয়া ক্লাবের সদস্যরাও তাদের প্রিয় বন্ধুর জন্য সহযোগিতার চেষ্টা করে যাচ্ছেন বলে জানা যায়।

     

    অসুস্থ্য খাদিজার চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন সাবেক চেয়ারম্যান আমেরিকান প্রবাসী রোটা. মামুনুর রহমান মজুমদার
    ১২ বছর বয়সী খাদিজার আর্ত-চিৎকার শুনে সাড়া দিয়েছেন গণমানুষের প্রিয় মুখ রোটা. মামুনুর রহমান মজুমদার। তিনি হাজীগঞ্জ উপজেলার ৫ নং সদর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান। বর্তমানে তিনি আমেরিকান প্রবাসী। গত শনিবার ফেইসবুক আইডিতে খাদিজার কথা শুনে এবং পড়ে এই দরদী জনপ্রতিনিধি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তারই লক্ষ্যে সাবেক এই চেয়ারম্যানের পক্ষে যুবদল নেতা জুলহাস চৌধুরী মৈশাইদ মিজি বাড়ীতে গিয়ে খাদিজার পরিবারের সাথে কথা বলেছেন।
    এদিকে খাদিজার কিভাবে চিকিৎসা নিতে হবে একজন নিউরোলজিষ্ট চিকিৎসকের পরামর্শ শিগগির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ ও উপজেলা শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দের সাথে যোগাযোগ করবো। খাদিজার সুস্থ্যতা পর্যন্ত আমরা পাশে থেকে তথ্য-সেবা দিয়ে যেন সহযোগিতা করতে পারি সবাই দোয়া করবেন।

     

    Leave a comment

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫১৬
    ১৭১৮১৯২০২১২২২৩
    ২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
    ৩১  
    হাজীগঞ্জে ছোট বোনের হাতে বড় বোন খুন
    হাজীগঞ্জে ছোট বোনের হাতে বড় বোন খুন