• শিরোনাম

    আমি রাজাকারের আত্মীয় নই,লাইসেন্স পারমিটধারী নই, লুটপাটকারী নই, মিথ্যাবাদী নই, ধর্ষকও নই

    | ১২ নভেম্বর ২০১৭ | ৫:২৫ পূর্বাহ্ণ

    আমি রাজাকারের আত্মীয় নই,লাইসেন্স পারমিটধারী নই, লুটপাটকারী নই, মিথ্যাবাদী নই, ধর্ষকও নই

    সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মজিবুর রহমান সংবাদ সম্মেলনে
    আমি রাজাকারের আত্মীয় নই,লাইসেন্স পারমিটধারী নই, লুটপাটকারী নই, মিথ্যাবাদী নই, ধর্ষকও নই
    নিজস্ব প্রতিবেদক॥


    হাজীগঞ্জ উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধাদের সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সন্মেলনে সংসদের সাবেক কমান্ডার ও যুদ্ধকালীন কমান্ডার মজিবুর রহমান বলেন, মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম এমপি এর জন্য মায়া কান্না যারা করেন তারা সেদিন কোথায় ছিলেন।সকল নির্বাচনে এই মজিবই উনার সঙ্গে ছিলাম।বরং মায়া কান্নায় লিপ্ত যারা তারা প্রকাশ্যে তখন বিরোধীতা করতেন।আজ তারাই আপন।

    দুঃখ প্রকাশ করে তিনি বলেন,আমাকে হেও করে গুটি কয়েক মুক্তিযোদ্ধা বিভিন্ন মিথ্যা তথ্য প্রদান করে বিভ্রান্ত সৃষ্টি করেছে। তারা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স নিয়ে এমপি’র ভুয়া ডিউ লেটার প্রদর্শন করে। যেখানে ৬৪ শতাংশ ভূমি চেয়ে এমপির ডিউলেটারের কপি সম্প্রতি একটি সংবাদ সম্মেলনে প্রদর্শন করে। প্রকৃত পক্ষে তা ছিল অভিযোগ পত্র। সম্প্রতি সাবেক কমান্ডার আবু তাহের সাবেক কমান্ডার ও যুদ্ধকালীন কমান্ডার মজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনে অবৈধ উপায়ে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ করেন। এ প্রসঙ্গে মজিবুর রহমান বলেন, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স লিজের সম্পত্তিতে করা যায় না।নিজস্ব মালিকানাধীন সম্পত্তি হতে হয়।

    webnewsdesign.com

    যাতে বহুতলা ভবন করা যায়। এসময় তিনি খাটরা বিলওয়াই মৌজায় কমপ্লেক্সের জন্য প্রস্তাবিত অধিগ্রহন ৮ শতাংশ ভূমি এবং ভূমি মালিকের আপত্তি শর্তে আরো ৩ শতাংশ ভূমি মুক্তিযোদ্ধাদের অর্থায়নে ক্রয় করার উদ্যোগ নেয়া হয়। যা সকল মুক্তিযোদ্ধার সম্মতিতে ও অংশগ্রহনে কমপ্লেক্সের নামেই ক্রয় করার সিদ্ধান্ত হয়।এবং রিসিটের মাধ্যমে ১ হাজার টাকা করে ২ কিস্তি প্রদান করবে।

    ইতোমধ্যে কিছু টাকা উত্তেলন করা হয়েছে। উক্ত টাকা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ফান্ডে জমা রাখা হয়েছে।
    তিনি বলেন,আমার বিরুদ্ধে সাংসদ বরাবর চান মিয়া নামে এক ব্যক্তি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন,অভিযোগে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স নির্মানে অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার মিথ্যা অভিযোগ করেন। উক্ত অভিযোগকারী নিজেই অভিযোগ অস্বীকার করেন।

    মুক্তিযোদ্ধা সংসদের বিষয়ে তিনি বলেন,বর্তমান ভবনটি উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যাপক আ. রশীদ মজুমদারের অবদান। এমপির কোন অবদানই নেই। তিনি আরো বলেন, যিনি মুক্তিযোদ্ধা নন তিনিই মুক্তিযোদ্ধার সম্মান হানি করেছেন।

    আমি মুক্তিযোদ্ধা, বাধ্য করে কেউ যুদ্ধে আনেননি। স্বইচ্ছায় যুদ্ধে অংশ গ্রহন করি ও নেতৃত্ব দেই। আমি রাজাকারের আত্মীয় নই,লাইসেন্স পারমিটধারী নই, লুটপাটকারী নই, মিথ্যাবাদী নই, ধর্ষকও নই। কারা এসব করে বেড়ায় মুক্তিযোদ্ধারা সবাই জানে। সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের পতাকা উত্তেলিত হয়নি, এতে সকল মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করে বক্তব্যে বলেন মুক্তিযোদ্ধা খোরশেদ আলম।

    বীর মুক্তিযোদ্ধা হরুন অর রশীদ বলেন, মেজর রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম এ এলাকার মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগীতা করেননি। বরং তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের বিভাজন করছেন।তিনি মামলা হামলা করছেন। যাচাই বাচাইতে প্রভাবিত করেছেন। যারা আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে ছিলেন তারাই আজ এমপির প্রিয় মানুষ। যিনি এ এলাকার মুক্তিযোদ্ধাদের চিনেন না তাকে আমরা চাই না। ১৯৭২ সালে মেজর রফিককে চাকুরিচ্যুত করেছেন কেন? তিনি জবাব চান।

    জিয়ার আমলে প্রতিষ্ঠিত, এরশাদের আমলে প্রতিষ্ঠিত তিনি আওয়ামীলীগের কেউ নন বলে দাবী করেন। হাজীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মুন্সী মোহাম্মদ মনিরের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক সাফিউল বাসার রুজমনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক জেলা সহ কমান্ডার অর্থ সৈয়দ আহমেদ মজুমদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা আহমেদ উল্যাহ রতন,এড. রুহুল আমীন মজুমদার,উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুর রশীদ মজুমদার,বীর মুক্তিযোদ্ধা হারুনুর রশীদ মুন্সী, হাজীগঞ্জ প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম চুননুসহ বিভিন্ন ইউনিটের মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও মুক্তিযোদ্ধাগন,সাংবাদিকবৃন্দ।

    Leave a comment

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০
    ১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
    ১৮১৯২০২১২২২৩২৪
    ২৫২৬২৭২৮২৯৩০  
    হাজীগঞ্জে ছোট বোনের হাতে বড় বোন খুন
    হাজীগঞ্জে ছোট বোনের হাতে বড় বোন খুন