• শিরোনাম

    আতঙ্কে নগরবাসী, হতবাক পুলিশ!

    | ০৩ নভেম্বর ২০১৭ | ৭:১৮ পূর্বাহ্ণ

    আতঙ্কে নগরবাসী, হতবাক পুলিশ!

    রাজধানীতে দুটি জোড়া খুন

    আতঙ্কে নগরবাসী, হতবাক পুলিশ!

    বিশেষ প্রতিবেদক

    মাত্র ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে রাজধানীতে দুটি জোড়া খুনের ঘটনায় নগরবাসীর মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক তৈরি করেছে। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, এ দুটি হত্যাকাণ্ডের মধ্যে কোনো যোগসূত্র নেই। দুটি হত্যাকাণ্ডই পারিবারিক কলহের জেরে বলে ধারণা তাদের।

    একই দিনে দুটি লোমহর্ষক জোড়া খুনের ঘটনায় চরম উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। তবে চাঞ্চল্যকর দুই জোড়া খুনের ঘটনায় সাধারণ মানুষের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তাদেরও ভাবিয়ে তুলেছে। সাম্প্রতিক সময়ে জঙ্গি ও উগ্রপন্থিদের ধারাবাহিক ‘টার্গেট কিলিং’ কমে আসলেও একই দিন রাতে বাবা-মেয়ে ও মা-ছেলের খুনের ঘটনায় হতবাক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

    webnewsdesign.com

    এদিকে দুই জোড়া খুনের ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে পুলিশ। রহস্য উদ্ঘাটনে মাঠে নেমেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক সংস্থা। তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, একাধিক বিষয়কে সামনে রেখে তারা তদন্ত করছেন। গত বুধবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে কাকরাইলে ব্যবসায়ী আবদুল করিমের নিজ বাড়ি থেকে তার স্ত্রী শামসুন্নাহার এবং ছেলে সাজ্জাদুল করিম শাওনের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই ঘটনার ১২ ঘণ্টার মধ্যেই গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর উত্তর বাড্ডার ময়নারবাগ কবরস্থান রোডের একটি বাড়ির ছাদ থেকে জামিল হোসেন এবং তার ৯ বছর বয়সী মেয়ে নুসরাতের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। জামিলের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। নুসরাতকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে পুলিশের ধারণা।

    দুটি হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের যুগ্ম কমিশনার (ক্রাইম) কৃষ্ণপদ রায় সাংবাদিকদের বলেন, সংক্ষিপ্ত সময়ের ব্যবধানে দুটি জোড়া হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হওয়ায় মানুষ ভীত-সন্ত্রস্ত। এ দুটি আলাদা ঘটনা আমরা প্রাথমিক তদন্ত করে দেখছি। তাতে পারিবারিক ক্ষোভ, কলহ, পারিবারিকভাবে কাউকে বঞ্চিত করা, লাভবান হওয়া কিংবা সম্পর্কের টানাপড়েনের কারণে হত্যাকাণ্ড দুটি সংঘটিত হয়েছে। দুটি ঘটনারই তদন্ত শুরু হয়েছে জানিয়ে এ পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, আমরা আমাদের সর্বোচ্চ শক্তি প্রয়োগ করেই অনুসন্ধানে নেমেছি। আশা করছি, দ্রুতই এ হত্যাকাণ্ডের অনুসন্ধান শেষ হবে।

    পুলিশ সদর দফতরের পরিসংখ্যান বলছে, ২০১৬ সালে সারাদেশে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন চার হাজার ৩৫ জন। আর ২০১৫ সালে এর সংখ্যা ছিল চার হাজার ৫১৪ জন। এর মধ্যে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে ২৬৭টি, ফেব্রুয়ারি মাসে ২৯১টি, মার্চে ৩০৭টি, এপ্রিলে ২৯১ এবং মে মাসে খুনের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৪২০, জুনে ৪০৫, জুলাইয়ে ৩৮৮, আগস্টে ৪০৮ ও সেপ্টেম্বরে ৩৪৫। এ হিসাবে চলতি বছরের ৯ মাসে সারা দেশে এক হাজার ৩৭৬ জন হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। এই হিসাবে গড়ে প্রতিদিন ১৩টি খুনের ঘটনা ঘটছে।

    এ বিষয়ে ডিএমপির (মিডিয়া) উপ-কমিশনার মাসুদুর রহমান বলেন, দেশের জনসংখ্যার অনুপাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য অপ্রতুল। তারপরও মানুষের নিরাপত্তা দেওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের চেষ্টার কোনো ত্রুটি থাকে না। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

    Leave a comment

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০  
    বোকরা নিষিদ্ধ! হাজীগঞ্জে বোরকা পরার অপরাধে আধাঁঘন্টা খাতা আটক রাখার অভিযোগ
    বোকরা নিষিদ্ধ! হাজীগঞ্জে বোরকা পরার অপরাধে আধাঁঘন্টা খাতা আটক রাখার অভিযোগ